দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ব্যস্ত আন্তর্জাতিক মৌসুম। ঘরের মাঠে তাদের খেলতে হবে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। শক্তিশালী দুই প্রতিপক্ষের পাশাপাশি বাংলাদেশকেও সমান গুরুত্ব দিতে বলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে যে উন্নতি হয়েছে, তাতে এই দলকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।
সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হওয়ার পর মারক্রাম বলেন, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষেও কঠিন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের পেস আক্রমণ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে এবং তারা এখন যেকোনো দলকে চাপে ফেলতে সক্ষম।
মারক্রামের এই মন্তব্যের পেছনে সাম্প্রতিক ফলাফলও রয়েছে। গত মে মাসে নিজেদের মাঠে পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এরপর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও একদিনের সিরিজ জিতে দারুণ আত্মবিশ্বাস পেয়েছে দলটি। দুই সিরিজেই পেস বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল বাংলাদেশের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
বিশেষ করে তরুণ পেসার নাহিদ রানা নিজের গতি ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কাড়ছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি নিয়েছেন ১১ উইকেট। অন্যদিকে তাসকিন আহমেদও দুই টেস্টে ৬ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এই দুই পেসারকে সামনে রেখেই বাংলাদেশ এখন আরও আত্মবিশ্বাসী ক্রিকেট খেলছে।
এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর ঘরের মাঠে আবার টেস্ট খেলতে মুখিয়ে আছেন মারক্রাম। তিনি বলেন, সমর্থকদের সামনে আবার লাল বলের ক্রিকেট খেলতে পারাটা দারুণ অনুভূতির হবে। একই সঙ্গে শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়ায় মুখিয়ে আছে দক্ষিণ আফ্রিকাও।
ব্যক্তিগতভাবে বর্ষসেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি পেলেও নিজের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন মারক্রাম। তাঁর লক্ষ্য, আগামী দেড় বছরে আরও ভালো খেলেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে নতুন সাফল্য এনে দেওয়া। পাশাপাশি ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিকেও এখন থেকেই নজর দিতে চান তিনি।
ক্রিফোস্পোর্টস/২২জুলাই২৬/টিএ



