
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক সাফল্যে সন্তুষ্ট হলেও জাতীয় দল নিয়ে নিজের ভূমিকা খুব সীমিত বলেই জানালেন বিসিবির বিশেষ কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল। তার মতে, মাঠের সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব খেলোয়াড়, কোচ ও দলের সঙ্গে থাকা সংশ্লিষ্টদেরই প্রাপ্য। আর তিনি এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তরুণ ক্রিকেটার তৈরির কাঠামো গড়ে তোলায়।
পাকিস্তানকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টেস্ট সিরিজে হারিয়ে বড় অর্জন পেয়েছে বাংলাদেশ। আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে উঠে এসেছে সপ্তম স্থানে। একই সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায়ও জায়গা হয়েছে পাঁচ নম্বরে। দেশের টেস্ট ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সেরা অবস্থান।
এই সাফল্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তামিম বলেন, জাতীয় দলের পারফরম্যান্সে তার কোনো সরাসরি ভূমিকা নেই। তিনি মূলত ক্রিকেটের অবকাঠামো ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন।
তামিম বলেন, জাতীয় দল নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার বা মতামত দেওয়ার জায়গায় তিনি নেই। বরং ক্রিকেটারদের জন্য নতুন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা, বিভিন্ন প্রক্রিয়া ঠিকভাবে এগিয়ে নেওয়া এবং তরুণদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত করাই এখন তার মূল কাজ।
তার মতে, মাঠের সাফল্যের জন্য কোচ, সহকারী সদস্য, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ এবং খেলোয়াড়দেরই প্রশংসা পাওয়া উচিত। কারণ তারাই সরাসরি দলের সঙ্গে কাজ করছেন।
অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে জাতীয় দলে ওঠার মাঝের ধাপটি নিয়েই সবচেয়ে বেশি ভাবছেন তামিম। তার মতে, এই জায়গাতেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা রয়েছে। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে ভালো করলেও অনেক ক্রিকেটার জাতীয় দলে এসে নিজেদের ঠিকভাবে মানিয়ে নিতে পারছেন না।
এই কারণেই উচ্চ পারফরম্যান্স বিভাগকে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছেন তিনি। তামিম জানান, এই বিভাগ নিয়েই তার সবচেয়ে বড় পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ। তিনি মনে করেন, পুরো কাঠামোয় পরিবর্তন আনা দরকার।
তবে কী ধরনের পরিবর্তন আনা হবে, সেটি এখনই বিস্তারিত বলতে চাননি সাবেক এই অধিনায়ক। শুধু ইঙ্গিত দিয়েছেন, বয়সের সীমাবদ্ধতা নিয়ে নতুনভাবে ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্রিকেট উন্নয়ন বিভাগের মাধ্যমে নতুন কিছু উদ্যোগও নেওয়া হবে।
তামিম আরও জানান, এই বিভাগের দায়িত্বে ইতোমধ্যে মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে আনা হয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পুরোপুরি চূড়ান্ত হলে আলাদা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।
ক্রিফোস্পোর্টস/২২মে২৬/টিএ






















