
গত বছর শ্রীলঙ্কা সফর দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিমনশিপের ২০২৫-২৭ চক্র শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সেই সিরিজের একটি ম্যাচ ড্র করলেও অপর ম্যাচে হেরে যায় টাইগাররা। তবে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে এসেই পাকিস্তানকে হারিয়ে চলতি চক্রের প্রথম জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। একইসঙ্গে দ্বিতীয় টেস্টেও জয় পেয়ে পাকিস্তানকে ২-০ তে ধবলধোলাই করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেই থামতে চান না বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত। এবার অস্ট্রেলিয়া সফরে চোখ তার। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। এবার তাদের মাটিতে গিয়ে খেলতে হবে টাইগারদের। আসন্ন এই অ্যাওয়ে সিরিজে ভালো করার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন শান্ত।
পাকিস্তানকে ধবলধোলাইয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে শান্ত বলেন, ‘এখন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো অ্যাওয়ে সিরিজ। আমরা গত চক্রে বিদেশের মাটিতে ভালোই করেছি। এ বছর আমাদের চ্যালেঞ্জিং কিছু সফর আছে। সেখানে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হবে। এভাবে ভালো খেলতে থাকলে আমরা সেখানেও ভালো করব, ইনশাআল্লাহ।’
অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে। কেননা বর্তমান টেস্ট দলে খেলছেন এমন কোনো ক্রিকেটাররের অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই। সবশেষে ২০০৩ সালে টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হেরেছিল টাইগাররা। প্রায় দুই যুগ পর ফের অস্ট্রেলিয়া সফরে যাচ্ছে টিম টাইগার্স।
দীর্ঘ ৯ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সবশেষ ২০১৭ সালের আগস্টে দুটি টেস্ট খেলতে বাংলাদেশ সফরে এসেছিল তারা। সেই সিরিজটি ১-১ সমতায় ড্র করেছিল বাংলাদেশ। মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০ রানের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছিল স্বাগতিকরা।
আগামী আগস্টে দুটি টেস্ট খেলতে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে বাংলাদেশ। ১৩ আগস্ট ডারউইনের মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। এরপর ২২ আগস্ট ম্যাকায়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। অবশ্য টেস্ট সিরিজের আগে আগামী মাসেই সাদা বলের সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল। তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে আগামী জুনেই বাংলাদেশ সফরে আসছে অজিরা।
ক্রিফোস্পোর্টস/২০মে২৬/বিটি



















