
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে লম্বা ক্যারিয়ার মুশফিকুর রহিমের। ২০০৫ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে টেস্ট অভিষেক ঘটে মুশফিকের। মাঝে কেটে গেছে দুই দশকের বেশি সময়, খেলেছেন একশোর বেশি টেস্ট। কিন্তু কখনো জেতা হয়নি সিরিজসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। অবশেষে ১০২তম টেস্ট খেলার পর প্রথমবারের মতো সিরিজসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন এই অভিজ্ঞ সিনিয়র।
আজ বুধবার (২০ মে) শেষ হয়েছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এবার সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে ৭৮ রানে জয় পেয়েছে টাইগাররা৷ তাতে ২-০ তে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
পাকিস্তানকে ধবলধোলাইয়ের পর সিরিজসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন মুশফিকুর রহিম। দুই দশকের টেস্ট ক্যারিয়ারে অনেকবার ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। তবে এই প্রথমবারের মতো সিরিজসেরার পুরস্কার জিতলেন এই অভিজ্ঞ তারকা।
এই সিরিজে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত খেলেছেন মুশফিক। মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৭১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ২২ রান। সিলেট টেস্টে প্রথম ইনিংসে রাঙাতে পারেননি। মাত্র ২৩ রান করে বিদায় নিয়েছিলেন তিনি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসেই বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখান এই ব্যাটার। পাকিস্তানি বোলারদের নাস্তানাবুদ করে ১৩৭ রানের মহামূল্যবান এক ইনিংস খেলেন এই তারকা।
সবমিলিয়ে দুই টেস্টে এক সেঞ্চুরি ও এক ফিফটিতে ২৫৩ রান করেন মুশফিক। পুরো সিরিজে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানে তিনিই শীর্ষে। আর তাতে সিরিজসেরার পুরস্কারটিও উঠেছে এই অভিজ্ঞ ব্যাটারের হাতেই।
বাংলাদেশের হয়ে দুই দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিন সংস্করণ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৭ বার সিরিজসেরার পুরস্কার জিতেছেন মুশফিক। যার মধ্যে ৬টি এসেছে ওয়ানডেতে এবং এই প্রথমবার টেস্টে এই স্বীকৃতি পেলেন এই সিনিয়র ক্রিকেটার। অবশ্য টি-টোয়েন্টিতে কখনো সিরিজসেরার পুরস্কার মেলেনি এই তারকার।
ক্রিফোস্পোর্টস/২০মে২৬/বিটি



















