
৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে আবারও চাপে পড়েছে পাকিস্তান। চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনে ১৬২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। বাংলাদেশের হয়ে দারুণ বোলিং করছেন নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম।
দিনের শুরুতেই পাকিস্তানকে আঘাত করেন নাহিদ। দলীয় ২৭ রানে আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে দেন এই গতিতারকা। গালিতে মেহেদি হাসান মিরাজ দুর্দান্ত ক্যাচ নেন। এরপর মিরাজের বলে লেগ বিফোর হয়ে ফেরেন আজান আওয়াইস। ২১ রান করেন তিনি। তখন ৪১ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বাবর আজম ও অধিনায়ক শান মাসুদ। দুজন মিলে ৯২ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের ওপর চাপ তৈরি করেছিলেন। বাবর খেলছিলেন আত্মবিশ্বাস নিয়ে। চারটি চার ও একটি ছক্কায় ৪৭ রান করেন তিনি।
তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলকে সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম। তার বলে ব্যাটের কানায় লেগে বল জমা পড়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে। বাবরের বিদায়ে ভাঙে বড় জুটি। ১৩৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান।
এরপরও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন শান মাসুদ। ফিফটি তুলে নিয়ে দলের আশা বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি পাকিস্তান অধিনায়ক। তাইজুলের ঘূর্ণিতে শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দেন ৭১ রান করা শান। তখন পাকিস্তানের সংগ্রহ ১৬২ রান।
শানের বিদায়ের ঠিক আগে আরেকটি আঘাত হানে বাংলাদেশ। নাহিদ রানার গতির সামনে টিকতে পারেননি সৌদ শাকিল। তার ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় লিটনের গ্লাভসে। আম্পায়ার আউট দিলে সিদ্ধান্ত বদলানোর সুযোগও কাজে লাগাতে পারেননি শাকিল। ৬ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি।
এখন ক্রিজে আছেন সালমান আলী আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। জয়ের জন্য পাকিস্তানের এখনও দরকার ২৭৫ রান। হাতে আছে মাত্র ৫ উইকেট।
এর আগে মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান করে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের বড় লক্ষ্য দাঁড়ায়।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৯মে২৬/টিএ




















