
লিওনেল মেসি মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আয়ের দিক থেকেও এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা তারকা। নতুন প্রকাশিত বেতন তালিকা অনুযায়ী, ইন্টার মায়ামিতে খেলতে গিয়ে তিনি এখন মেজর লিগ সকারের অন্য সব ফুটবলারের তুলনায় অনেক বেশি আয় করছেন।
২০২৮ মৌসুম পর্যন্ত ইন্টার মায়ামির সঙ্গে নতুন চুক্তির আওতায় মেসির বার্ষিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিভিন্ন নিশ্চিত আর্থিক সুবিধা যোগ করে তার মোট বার্ষিক আয় দাঁড়িয়েছে ২৮.৩৩ মিলিয়ন ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি।
২০২৩ সালে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার সময় তার মূল বেতন ছিল ১২ মিলিয়ন ডলার। নতুন চুক্তির ফলে তার আয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
বেতন তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লস অ্যাঞ্জেলেসের দক্ষিণ কোরিয়ান তারকা সন হিউং-মিন। তার আয় মেসির তুলনায় অনেক কম। তালিকায় এরপর আছেন রদ্রিগো ডি পল, মিগুয়েল আলমিরন ও হিরভিং লোজানো।
মেসির বিশাল পারিশ্রমিকের কারণে ইন্টার মায়ামির মোট বেতন ব্যয়ও লিগে সবচেয়ে বেশি। পুরো দলের পেছনে তাদের ব্যয় ৫৪.৬ মিলিয়ন ডলার, যা অন্য অনেক ক্লাবের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি।
এদিকে ফুটবলের বাইরেও নিজের ব্যবসায়িক পরিধি আরও বাড়াচ্ছেন আর্জেন্টাইন এই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। স্পেনের বার্সেলোনার অভিজাত তুরো পার্ক এলাকায় তিনি প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বড় বাণিজ্যিক ভবন কিনেছেন।
প্রায় ৪৩ হাজার বর্গফুট আয়তনের এই ছয়তলা ভবনটি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত ছিল। একসময় এটি জনপ্রিয় গ্যালারি হিসেবে পরিচিত ছিল। মেসি ভবনটি আধুনিকভাবে সংস্কার করে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছেন।
এর আগে থেকেই হোটেল ও স্থাবর সম্পত্তি খাতে মেসির বড় বিনিয়োগ রয়েছে। স্পেনের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় তার মালিকানাধীন হোটেল ব্যবসা সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বার্সেলোনার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই নতুন বিনিয়োগ ভবিষ্যতে মেসির জন্য বড় আর্থিক সুবিধা তৈরি করবে। ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক স্থিতি নিশ্চিত করতেই তিনি ধারাবাহিকভাবে সম্পদ বাড়াচ্ছেন।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৩মে২৬/টিএ






















