
মিরপুর টেস্টে দারুণ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসের ২৭ রানের লিডসহ পাকিস্তানের সামনে এখন ২৬৮ রানের কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।
এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদের গতির সামনে সুবিধা করতে পারেননি ওপেনার ইমাম উল হক। মাত্র ২ রান করে ব্যাটের কিনারা লাগিয়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ধরা পড়েন তিনি। দলীয় ৩ রানেই প্রথম ধাক্কা খায় সফরকারীরা। এরপর মধ্যাহ্ন বিরতিতে ১ উইকেটে ৬ রান নিয়ে বিরতিতে যায় পাকিস্তান।
বিরতির পর বাংলাদেশের জন্য আরও বড় সাফল্য এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা আজান আওয়াইসকে ১৫ রানে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান তিনি। তার বিদায়ে ৫৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। এরপরই নাহিদ রানার গতির কাছে হার মানে অধিনায়ক শান মাসুদ। লিটন দাসের হাত ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনিও। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৬ রানে চা বিরতিতে যায় পাকিস্তান।
এর আগে পঞ্চম দিনের শুরুতে বড় লক্ষ্য দাঁড় করানোর পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নামে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে দিন শেষ করেছিল তারা। নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন ৫৮ রানে অপরাজিত, মুশফিকুর রহিম ছিলেন ১৬ রানে।
শেষ দিনে শুরু থেকেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তবে মুশফিকুর রহিম ইনিংস বড় করতে পারেননি। হাসান আলির বলে আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে মিডঅফে ক্যাচ দিয়ে ২২ রানে ফিরে যান তিনি। এরপর লিটন দাসও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১১ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন তিনি।
একপ্রান্তে দারুণ ব্যাটিং করে যাচ্ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও শতকের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। কিন্তু নোমান আলীর বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ৮৭ রানে থামেন তিনি। ১৫০ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার। মাত্র ১৩ রানের জন্য হাতছাড়া হয় একই টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির বিরল রেকর্ড।
শান্তর বিদায়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজ দ্রুত ২৪ রান যোগ করেন। তবে শেষদিকে আর বড় জুটি গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে ৯ উইকেটে ২৪০ রানেই ইনিংস ঘোষণা করে দলটি।
ক্রিফোস্পোর্টস/১২মে২৬/টিএ



















