
আগামী বছর মাঠে গড়াবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করতে র্যাঙ্কিংয়ে সেরা ৯ দলের মধ্যে থাকতে হবে বাংলাদেশকে। বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার দৌড়ে বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ। আইসিসির বার্ষিক হালনাগাদকৃত ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির মুখ দেখেছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল।
আজ সোমবার (১১ মে) ওয়ানডের বার্ষিক হালনাগাদ র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যেখানে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার পাশাপাশি একধাপ এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের সঙ্গেও পয়েন্ট ব্যবধান কমেছে টাইগারদের।
আইসিসির বার্ষিক হালনাগাদকৃত ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের মতোই ৯ নম্বরে আছে টাইগাররা। তবে রেটিং পয়েন্ট ১ বেড়েছে। তাতে ৮৪ পয়েন্ট হয়েছে টাইগারদের। আর বাংলাদেশের একধাপ পেছনে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং পয়েন্ট কমেছে। ৭৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দশে অবস্থান করছে ক্যারিবিয়ানরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান বেড়ে হয়েছে ১০, যা আগে ছিল ৬। সবশেষ ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট হয়েছিল ৮৩। আর ক্যারিবিয়ানদের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৭৭। এর ফলে নয় নম্বরে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ পোক্ত হয়েছে।
এদিকে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ তিনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরাবরের মতোই শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ভারত। তাদের রেটিং পয়েন্ট ১১৮। দুই নম্বরে আছে নিউজিল্যান্ড। তাদের রেটিং পয়েন্ট ১১৩। আর ১০৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে অস্ট্রেলিয়া।
পাকিস্তানকে পেছনে চার নম্বরে উঠে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাদের রেটিং পয়েন্ট ১০২। আর একধাপ পিছিয়ে ৯৮ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে অবস্থান করছে পাকিস্তান। সেরা দশে বাকিদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ৯৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে শ্রীলঙ্কা, ৯৩ পয়েন্ট নিয়ে সাতে আফগানিস্তান এবং ৮৯ পয়েন্ট নিয়ে আটে ইংল্যান্ড।
২০২৭ সালের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। এর মধ্যে আয়োজক দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। জিম্বাবুয়ে সেরা আটের বাইরে আছে আর দক্ষিণ আফ্রিকা সেরা আটের মধ্যেই। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা যদি শীর্ষ আটের মধ্যে থাকতে পারে, তাহলে নবম স্থানে থাকা দলটিও সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে।
উল্লেখ্য, ওয়ানডেতে বার্ষিক র্যাঙ্কিং হালনাগাদে ২০২৫ সালের মে মাস থেকে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোকে পূর্ণ গুরুত্ব (১০০ শতাংশ) দেওয়া হয়েছে। আর গত দুই বছরের ফলাফলকে অর্ধেক গুরুত্ব (৫০ শতাংশ) দেওয়া হয়েছে।
ক্রিফোস্পোর্টস/১১মে২৬/বিটি




















