
বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ঘটনায় শাস্তি পাচ্ছেন ৫ জন। বিপিএলে এক ক্রিকেটারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তদন্ত শেষে এবার শাস্তির পথে হাঁটল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিসিবি। বিপিএলে ফিক্সিংয়ের ঘটনায় ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত রিপোর্টে ফিক্সিংয়ের প্রমাণ মিলেছে। যেখানে এক ঘরোয়া ক্রিকেটার, দুই টিম ম্যানেজার এবং এক ফ্রাঞ্চাইজি সহ-মালিক রয়েছেন। এছাড়া এক ক্রিকেট সংগঠকও রয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী কোড বা বিধিমালার (দ্য ‘কোড’) বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়, দলের কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক এবং অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। অভিযোগগুলো মূলত জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া, বিধিমালার অনুচ্ছেদ ৪.৩ এর অধীনে জারি করা নোটিশ পালনে ব্যর্থতা, তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ গোপন বা মুছে ফেলা এবং নির্ধারিত দুর্নীতি বিরোধী কর্মকর্তার (ড্যাকো) সাথে সহযোগিতা না করার সাথে সম্পর্কিত।
বরখাস্ত হওয়া একমাত্র ক্রিকেটার হলেন অমিত মজুমদার। তিনি একজন ঘরোয়া ক্রিকেটার। চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে রূপগঞ্জ টাইগার্সের হয়ে খেলছেন তিনি। চট্টগ্রাম রয়্যালসের টিম ম্যানেজার মোহাম্মদ লাবলুর রহমান এই তালিকায় আছেন। আরেক টিম ম্যানেজার হলেন রেজওয়ান কবির সিদ্দিক। অভিযুক্তদের তালিকায় আছেন বিপিএলের নবাগত ফ্রাঞ্চাইজি নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ-মালিক মোহাম্মদ তৌহিদুল হক তৌহিদ।
এই চারজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিসিবি। তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য নোটিশ পাঠাবে বোর্ড এবং ১৪ দিনের মধ্যে তাদেরকে জবাব দিতে হবে।
এছাড়া এছাড়া ক্রিকেট সংগঠক সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপিএলের একাধিক আসরে ফিক্সিং কান্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তিনি বিপিএলের নবম, দশম এবং একাদশ আসরে জুয়া সংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে লিপ্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিসিবির নিষিদ্ধ ব্যক্তি নীতিমালার আওতায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
ক্রিফোস্পোর্টস/৭মে২৬/বিটি



















