
পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন দুই টেস্ট সিরিজ শেষে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সহকারী কোচের দায়িত্ব ছাড়ছেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন। এরপর তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের হাইপারফরম্যান্স বিভাগের প্রধান কোচ হিসেবে নতুন দায়িত্ব নেবেন।
বিসিবির পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর সালাহউদ্দীন নিজেও মনে করেছেন, এই মুহূর্তে জাতীয় দলের চেয়ে তরুণ ক্রিকেটারদের গড়ে তোলার কাজেই তিনি বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। নতুন দায়িত্ব নিয়ে ইতোমধ্যে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে।
সালাহউদ্দীন জানিয়েছেন, তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর আগে থেকেই আছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের জাতীয় দলের জন্য দক্ষ ক্রিকেটার তৈরি করাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য।
২০২৪ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া সালাহউদ্দীনের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। নতুন দায়িত্বে গেলেও এই চুক্তির মেয়াদ একই থাকবে।
তিনি মনে করেন, হাইপারফরম্যান্স বিভাগে থাকা ক্রিকেটারদের শুধু খেলায় নয়, মানসিকতা, জীবনযাপন ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য প্রস্তুতিতেও উন্নতি প্রয়োজন। বিশেষ করে জাতীয় দলের বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ অলরাউন্ডার তৈরিতে তিনি বাড়তি গুরুত্ব দিতে চান।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়ন কাঠামোতেও পরিবর্তন আসছে। অনূর্ধ্ব-১৯ দল ও জাতীয় দলের মাঝামাঝি ধাপ হিসেবে যুক্ত হচ্ছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। পাশাপাশি হাইপারফরম্যান্স বিভাগ সারা বছর কার্যক্রম চালাবে, যাতে ক্রিকেটাররা নিয়মিত উন্নতির সুযোগ পায়।
সালাহউদ্দীনের লক্ষ্য, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে এমন ক্রিকেটার তৈরি করা, যারা ভবিষ্যতে জাতীয় দলের প্রয়োজন মেটাতে প্রস্তুত থাকবে।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ সালাউদ্দীন ছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্তর্বর্তীকালীন ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। প্রাথমিক পর্যায়ে আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্য নিয়োগ পেলেও, ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত তার সাথে চুক্তির ব্যাপারে আলোচনা হয়েছিল। মোহাম্মদ সালাউদ্দিন সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে থাকলেও ব্যাটিং ইউনিটের দায়িত্বে আশরাফুল কাজ শুরু করেন।
ক্রিফোস্পোর্টস/৫মে২৬/টিএ






















