
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান তার বিরুদ্ধে করা হত্যা মামলাকে ঘিরে প্রথমবারের মতো বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যে ঘটনার সঙ্গে তাকে জড়ানো হয়েছে, সেই এলাকার সঙ্গেই তার কোনো সম্পর্ক নেই।
২০২৪ সালের আগস্টে পোশাক শ্রমিক মোহাম্মদ রুবেল হত্যা মামলায় ১৫৬ জনের সঙ্গে আসামি করা হয় সাকিবকেও। তবে সাকিবের দাবি, আদাবর এলাকায় তিনি কখনও গেছেন বলেও মনে করতে পারেন না।
সম্প্রতি দেশের এক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সত্য বের হওয়া উচিত। যদি কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর সম্পৃক্ততা না থাকলে দ্রুত তাকে অব্যাহতি দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, যে এলাকায় ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে তার উপস্থিতির কোনো স্মৃতিই নেই। তাই তদন্ত কর্মকর্তারা চাইলে সহজেই তার সংশ্লিষ্টতা নেই বলে প্রতিবেদন দিতে পারেন। অথচ বিষয়টি দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে আছে।
সাকিব আরও বলেন, দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে তার আপত্তি নেই। দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলাসহ অন্যান্য আইনি বিষয়েও তিনি আদালতে যেতে প্রস্তুত। তবে এজন্য প্রয়োজন স্বাভাবিক নিরাপত্তা এবং অযথা হয়রানি না করার নিশ্চয়তা।
তার মতে, বিশেষ সুবিধা নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ন্যূনতম নিরাপত্তা চান তিনি। যদি নিশ্চিত করা হয় যে দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়া চলাকালে তাকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হবে না, তাহলে খুব দ্রুতই দেশে ফিরবেন।
সরকার পরিবর্তনের পর থেকে সাকিব দেশে ফেরেননি। তবে তার বক্তব্যে স্পষ্ট, আইনি জটিলতা থেকে পালিয়ে নয়, বরং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হলেই দেশে ফিরে সব মোকাবিলা করতে প্রস্তুত তিনি।
দীর্ঘদিনের এই আলোচিত মামলায় সাকিবের বক্তব্য নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া কত দ্রুত এগোয় এবং দেশে ফেরার পথ তার জন্য কতটা সহজ হয়।
ক্রিফোস্পোর্টস/৪মে২৬/টিএ




















