
বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, যথাযথ নিরাপত্তা ও হয়রানি না করার নিশ্চয়তা পেলে তিনি খুব দ্রুত দেশে ফিরবেন। বিদেশে অবস্থান করলেও দেশের পরিস্থিতি, নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন।
সম্প্রতি মুম্বাইয়ে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় এক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, দেশে ফিরতে তার কোনো আপত্তি নেই। তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত। তবে দেশে ফেরার পর স্বাভাবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং অযথা হয়রানি করা হবে না, এমন নিশ্চয়তা প্রয়োজন।
সাকিবের মতে, আমার যেসব মামলা, দেশে এসে কিছু করার আছে বলে মনে হয় না। হ্যাঁ, দুদকের মামলায় জামিন নিতে পারি। কিন্তু দুদকের এরকম মামলা তো দেশে হাজার হাজার মানুষের আছে এবং তারা দেশে খুব ভালোভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ব্যবসা করছে, সবই করছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে ফিরতে পারেন। তিনি বলেন, বিশেষ কোনো বাড়তি সুবিধা নয়, একজন নাগরিক হিসেবে স্বাভাবিক নিরাপত্তাই তার চাওয়া।
আমি দেশে ফিরব, কোর্টে যাব, মামলা লড়ব। কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু আমার নিরাপত্তা তো দিতে হবে! এতটুক তো আশা করতেই পারি। আমি বলছি না যে, নিরাপত্তা মানে আমার জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিতে হবে বা পুলিশের চারটা গাড়ি সামনে থাকবে। ওরকম তো চাচ্ছি না। তবে একটা স্বাভাবিক নিরাপত্তা তো আছে, আইনী প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত হয়রানি করবে না। ব্যাস, এতটুকুই আশা করি। সাধারণ নাগরিক হিসেবেই তো এটুকু আশা করতে পারি। হয়রানি না করার নিশ্চয়তা যদি কালকে দেওয়া হয়, পরশুই দেশে যাব আমি।
সাকিব দাবি করেন, দীর্ঘ সময় তদন্ত চললেও তার বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেশে ফেরার পরিকল্পনাও করেছিলেন সাকিব। প্রয়োজনীয় আলোচনা শেষে তিনি যাত্রাও শুরু করেছিলেন। কিন্তু তখন পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে তাকে ফিরে যেতে বলা হয়। পরে তিনি আর দেশে আসেননি।
ক্রিফোস্পোর্টস/৩মে২৬/টিএ



















