
রেকর্ডগড়া জয় দিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের জয়ের অন্যতম নায়ক তাওহীদ হৃদয়। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত এক ফিফটি করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এই ব্যাটার।
ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ইনিংসের পর ম্যাচসেরার পুরস্কারটিও উঠেছে হৃদয়ের হাতেই। চাপের মুখে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত ইনিংসের পর চট্টগ্রামের উইকেটের প্রশংসা করেছেন তিনি। ম্যাচশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পিচ প্রসঙ্গে হৃদয় বলেন, ‘হ্যাঁ, ব্যাটিংয়ের জন্য পিচটা সত্যিই খুব ভালো ছিল।’
ক্রিজে এসে শুরুতে কিছুটা ভীতি কাজ করেছে হৃদয়ের। তবে তখন জয়ের জন্য একশ’র বেশি রান দরকার ছিল বাংলাদেশের এবং ওভারও ছিল কম। তাই চাপের মুখে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
হৃদয় বলেন, ‘আসলে, আমি মাঠে এসেই পরিস্থিতি বুঝার চেষ্টা করছিলাম। তখন আমি কিছুটা নার্ভাস ছিলাম। সেই পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।। ওই সময় আমাদের দ্রুত কিছু রান করা দরকার ছিল। আর সে কারণেই আমি আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলি।’
দলীয় ৬৬ রানে লিটনের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন হৃদয়। তবে কিছুক্ষণ পরেই বিদায় নেন তানজিদ। এরপর পারভেজ হোসেন ইমনকে নিয়ে ২৮ বলে ৫৭ রানের ঝোড়ো জুটি গড়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। ইমন ফিরে গেলে শামিমের সঙ্গে তার ২১ বলে ৪৯ রানের জুটিতে ২ ওভার হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল-সবুজরা।
শামিম ছয়ে নেমে ১৩ বলে ৩১ রানের ঝোড়ো ক্যামিও খেলেন। তার ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে হৃদয় বলেন, ‘শামিম দারুণ ব্যাট করেছে। ওর সঙ্গে ব্যাট করতে আমার খুব ভালো লেগেছে। ও দুর্দান্ত ছিল।’
এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে হৃদয়ের ফিফটি ও ইমন-শামীমের ক্যামিওতে ১৮ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লাল-সবুজের দল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এটাই সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড বাংলাদেশের।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৭এপ্রিল২৬/বিটি



















