
চলতি আইপিএল দিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস লিখল পাঞ্জাব কিংস। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ল দলটি। নিজেদেরই পুরোনো রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে দলটি।
আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ২৬৫ রানের টার্গেট তাড়া করে জিতেছে পাঞ্জাব কিংস। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এটি সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটিও পাঞ্জাবের দখলেই ছিল। ২০২৪ আসরে কলকাতার বিপক্ষে ২৬২ রানের টার্গেট তাড়া করে জিতেছিল দলটি।
দিল্লির হারে ম্লান হয়ে গেছে লোকেশ রাহুলের রেকর্ডগড়া ইনিংস। প্রথম ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে আইপিএলের এক ইনিংসে দেড়শ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন রাহুল। ৬৭ বলে ১৬ চার ও ৯ ছক্কায় ১৫২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আরেক ব্যাটার নিতীশ রানা ৪৪ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ৯১ রান করেন। এই দুইয়ের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের কল্যাণে ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ২৬৪ রানের পাহাড়সম পুঁজি পায় দিল্লি।

৯৬ বলে ২২০ রানের জুটি গড়েন রাহুল ও রানা। ছবি- বিসিসিআই
জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার প্রিয়াংশু আর্য ও প্রবসিমরান সিংয়ের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লেতেই দলীয় শতরান তুলে নেয় পাঞ্জাব। সপ্তম ওভারে দলীয় ১২৬ রানের মাথায় প্রথম উইকেটের পতন ঘটে। মাত্র ৪২ বলে ১২৬ রান যোগ করেন তারা। ১৭ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৪৩ রান করে বিদায় নেন আর্য।
পরের ওভারে ১৩২ রানের মাথায় বিদায় নেন আরেক ওপেনার প্রবসিমরান। সাজঘরে ফেরার আগে ২৬ বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৬ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার। দুই ওপেনার ফেরার পর কুপার কন্নল্লি ও নেহাল ওয়াধিরাও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। কল্লন্নি ১০ বলে ১৭ এবং ওয়াধিরা ১৫ বলে ২৫ রান করে বিদায় নেন।
পরবর্তীতে শ্রেয়াস আইয়ার ও শশাঙ্ক সিংয়ের ২৬ বলে ৬৪ রানের জুটিতে ৭ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাঞ্জাব। আইয়ার ৩৬ বলে ৩ চার ও ৭ ছক্কায় ৭১ রান করে অপরাজিত ছিলেন। অপরপ্রান্তে শশাঙ্ক ১০ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন।
দিল্লির হয়ে ২টি উইকেটে নেন কুলদীপ যাদব। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল ও ভিপিরাজ নিগাম। অন্যদিকে পাঞ্জাবের হয়ে একটি উইকেট শিকার করেন আর্শদীপ সিং ও হ্যাভিয়ের বার্টলেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
দিল্লি ক্যাপিটালস : ২৬৪/২ (২০ ওভার)
পাঞ্জাব কিংস : ২৬৫/৪ (১৮.৫ ওভার)
ফলাফল : দিল্লি ক্যাপিটালস ৬ উইকেটে জয়ী
ক্রিফোস্পোর্টস/২৫এপ্রিল২৬/বিটি



















