
আগামী ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে এখন থেকেই হিসাব কষতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এই আসরে সরাসরি খেলতে হলে র্যাংকিংয়ের শীর্ষ নয় দলের মধ্যে থাকতে হবে। বর্তমানে সেই অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ, তবে পেছন থেকে চাপ বাড়াচ্ছে অন্য দলগুলো। তাই প্রতিটি ম্যাচই হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ।
এ মুহূর্তে বাংলাদেশের রেটিং ৮১। ঠিক পেছনে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং ৭৭। ব্যবধান খুব বেশি না হওয়ায় সামান্য ভুলেও এই দূরত্ব কমে যেতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশের এক ধাপ ওপরে থাকা ইংল্যান্ডের রেটিং ৮৮, যা টাইগারদের চেয়ে সাত পয়েন্ট বেশি। ফলে সামনে এগোতেও যেমন লড়াই, তেমনি অবস্থান ধরে রাখাও চ্যালেঞ্জ।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান সিরিজে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের ফলে বাংলাদেশের রেটিং দুই পয়েন্ট বেড়েছে। এতে করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ব্যবধান কিছুটা বাড়ানো গেছে। এই উদাহরণই দেখাচ্ছে, প্রতিটি জয় এখন র্যাংকিংয়ে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। এই ম্যাচে জয় পেলে বাংলাদেশ সিরিজ নিজেদের করে নেবে। তবে এই জয়ে রেটিং পয়েন্ট আর বাড়বে না, র্যাংকিংয়েও কোনো পরিবর্তন আসবে না। তবুও সিরিজ জয়ের গুরুত্ব আলাদা, কারণ এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ার পাশাপাশি সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
অন্যদিকে যদি এই ম্যাচে হারতে হয়, তবুও র্যাংকিংয়ে অবস্থান বদলাবে না। তবে রেটিং কমে দাঁড়াবে ৭৯-এ। তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ব্যবধান নেমে আসবে মাত্র দুই পয়েন্টে। ফলে পরবর্তী সিরিজগুলো আরও বেশি চাপের হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের জন্য।
সব মিলিয়ে সিরিজ নির্ধারণী এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য একাধিক কারণে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু সিরিজ জয়ের লক্ষ্যই নয়, র্যাংকিংয়ের অবস্থান শক্ত রাখার দিক থেকেও এটি বড় পরীক্ষা।
উল্লেখ্য, ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে র্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি খেলবে। আয়োজক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা শীর্ষে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকায় নবম দলও সরাসরি সুযোগ পাবে। তবে এর বাইরে থাকা দলগুলোকে খেলতে হবে বাছাইপর্ব, যা অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক। তাই এখন থেকেই প্রতিটি ম্যাচে ভালো ফল করাই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৩এপ্রিল২৬/টিএ





















