Connect with us
ক্রিকেট

রানার ৫ উইকেট ও তামিমের কল্যাণে রেকর্ডবইয়ে তোলপাড়

Nahid and tamim
নাহিদ রানা ও তানজিদ হাসান তামিম। ছবি: সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণ লড়াই করে ছয় উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের ফলে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরেছে। প্রথম ম্যাচে হারের পর এই জয় দলকে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিয়েছে। এখন ২৩ এপ্রিলের তৃতীয় ম্যাচই ঠিক করে দেবে সিরিজের ফল।

ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেন পেসার নাহিদ রানা। বল হাতে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩২ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন। এটি তার একদিনের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেট। মাত্র ১০ ম্যাচ খেলেই দুইবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিনি, যা দেশের অন্য অনেক বোলারের তুলনায় দ্রুত অর্জন। তার ধারাবাহিক ভালো বোলিংয়ে চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ।

বল হাতে রানার দাপটের পাশাপাশি ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। ওপেনিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেন তিনি। ৫৮ বলে ৭৬ রান করেন এই তরুণ ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল পরিমিত আক্রমণ ও নিয়ন্ত্রিত শট খেলা। দ্রুত রান তুলে দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যান তিনি, যা পরে জয়ের পথে বড় ভূমিকা রাখে।



এই ম্যাচটি ছিল লিটন দাসের জন্য একটি বিশেষ উপলক্ষ। এটি ছিল তার শততম একদিনের ম্যাচ। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে ব্যাট হাতে বড় কিছু করতে পারেননি তিনি। ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে আউট হন। তবুও তার এই মাইলফলক বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

মাইলফলকের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনও। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার উইকেট সংখ্যা এখন ১০০। একদিনের ম্যাচে তার উইকেট ২৯টি এবং সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে রয়েছে ৭১টি উইকেট। এই ম্যাচে তিনি ২১ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। ধীরে ধীরে তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ বোলার হয়ে উঠছেন।

শরিফুল ইসলামও এই ম্যাচে নিজের অর্জনের খাতা সমৃদ্ধ করেছেন। ৩২ রান দিয়ে দুই উইকেট নেওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৫০ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। নতুন বল এবং পুরোনো বল দুই সময়েই তার কার্যকর বোলিং দলের জন্য বড় শক্তি হয়ে উঠছে।

এদিকে ব্যাটিং পরিসংখ্যানেও এগিয়ে আছেন তানজিদ হাসান তামিম। একদিনের ক্রিকেটে অন্তত ৫০০ রান করা বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে তার রান তোলার গড় গতি এখন সবার উপরে। তার খেলার ধরন দলকে দ্রুত শুরু এনে দিচ্ছে, যা বড় সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করছে।

সব মিলিয়ে এই ম্যাচে বাংলাদেশ দল ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ইনিংসের কারণে জয় সহজ হয়েছে। সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচে এমন পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে সিরিজ জয়ের ভালো সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের সামনে।

ক্রিফোস্পোর্টস/২১এপ্রিল২৬/টিএ

Crifosports announcement

Focus

More in ক্রিকেট