
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে একের পর এক নেতৃত্ব পরিবর্তন হলেও তা নিয়ে খুব একটা বিচলিত নন জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তাঁর মতে, জীবনের এই পর্যায়ে এসে এমন ঘটনায় আর অবাক হওয়ার কিছু নেই।
২০২৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেন সিমন্স। তখন বোর্ডের সভাপতি ছিলেন ফারুক আহমেদ। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সেই জায়গায় পরিবর্তন আসে। পরে দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম। প্রায় ১০ মাস পর আবারও পরিবর্তন হয় বোর্ডে, বর্তমানে অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন তামিম ইকবাল।
এত অল্প সময়ে একাধিকবার সভাপতি বদল হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সিমন্স হাসিমুখেই জবাব দেন। তিনি বলেন, জীবনে এত চড়াই-উতরাই দেখেছেন যে এখন আর কোনো কিছুই তাঁকে অবাক করে না। এটি শুধু বাংলাদেশের বিষয় নয়, বরং জীবনের বাস্তবতা হিসেবেই তিনি দেখেন।
বোর্ডের এই পরিবর্তন দলের ওপর কোনো প্রভাব ফেলেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সিমন্স স্পষ্ট করে বলেন, দলের প্রস্তুতিতে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়রা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে গেছে। অনুশীলন, প্রস্তুতি সব কিছু আগের মতোই হয়েছে।
তিনি আরও জানান, খেলোয়াড়দের মধ্যেও এই পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব চোখে পড়েনি। সবাই নিজেদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করেছে। কেউ কেউ আগের চেয়েও বেশি পরিশ্রম করেছে বলে মনে করেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে বোর্ডে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চললেও জাতীয় দলের ভেতরে সেই প্রভাব খুব বেশি দেখা যায়নি। সংবাদ সম্মেলনে শুরুতেই বোর্ডের বিষয় নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সিমন্সকে। এক পর্যায়ে তিনি অনুরোধ করেন, আলোচনাটি যেন ক্রিকেটের দিকেই ফিরে আসে।
এদিকে সামনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজকে ঘিরে প্রস্তুতি শেষ করেছে বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে, শেষ ম্যাচটি হবে চট্টগ্রামে। সবগুলো ম্যাচই শুরু হবে সকাল ১১টায়। এরপর একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।
সব মিলিয়ে বোর্ডের ভেতরের পরিবর্তন নয়, মাঠের পারফরম্যান্সেই এখন মনোযোগ দিতে চান কোচ ফিল সিমন্স। তাঁর বিশ্বাস, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারলে দল ভালো ফল করতে পারবে।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৫এপ্রিল২৬/টিএ


















