
চলমান অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে শুরুটা স্বপ্নের মতো হতে পারতো বাংলাদেশের। আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক থাইল্যান্ডকে হারানোর সুযোগ ছিল বাঘিনীদের সামনে। কিন্তু সাগরিকার জোড়ে গোলে ২-০ গোলের লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের ব্যবধানে হেরেছে লাল-সবুজের দল। এবার দ্বিতীয় ম্যাচেও শক্তিশালী চীনের কাছে হেরে গেল পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে চীনের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতা ধরে রাখতে সক্ষম হলেও দ্বিতীয়ার্ধে গিয়ে দুটি গোল হজম করেছে আফঈদা-অর্পিতারা। প্রথম দুই ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে অনেকটাই ছিটকে গেছে লাল-সবুজরা।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে চীনের মূল দলের অবস্থান ১৭ নম্বরে, যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ১১২ নম্বরে। গত মাসেই অস্ট্রেলিয়াতে নারী এশিয়ান কাপে ৯৫ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটির বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার বয়সভিত্তিক এই টুর্নামেন্টেও দুই দলের পার্থক্যটা স্পষ্ট দেখা গেছে।
অবশ্য সেই ম্যাচেও বাংলাদেশের হয়ে গোলবারের নিচে বীরত্ব দেখিয়েছিলেন গোলরক্ষক মিলি আক্তার। এখন অনূর্ধ্ব-২০ দলেও খেলছেন তিনি। আর মিলির কল্যাণেই চীনে বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে দুর্দান্ত কয়েকটি সেভ করেছেন এই গোলরক্ষক।
তবে দ্বিতীয়ার্ধেই শুরুতেই ডেডলক ভাঙে চীন। ম্যাচের ৫০তম মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। পিছিয়ে পড়ার পরও লড়াই চালিয়ে যায় বাংলাদেশ। তবে শক্তিশালী চীনের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ম্যাচের ৮২তম মিনিটে আরও একটি গোল হজম করে আফঈদারা। আর তাতেই পরাজয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়।
চীনের একাধিক আক্রমণের বিপরীতে কয়েকবার কাউন্টার অ্যাটাকে বল চীনের দিকে নিয়েছিলেন বাংলাদেশ। তবে অন টার্গেটে সেভাবে শট রাখতে পারেনি সাগরিকারা। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলেই পরাজয় নিশ্চিত হয় পিটার বাটলারের শিষ্যদের।
এই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এ-গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে চীন। অন্যদিকে কোনো জয় না পাওয়া বাংলাদেশ তিনে অবস্থান করছে।
ক্রিফোস্পোর্টস/৪এপ্রিল২৬/বিটি























