
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের পর্দা উঠেছে। উদ্বোধনী দিনেই স্বাগতিক থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলে প্রথমে দুই গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। তবে পরে আরও তিন গোল হজম করে অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচটি হেরে গেছে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
আজ বুধবার (১ এপ্রিল) অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে এ-গ্রুপের ম্যাচে থাইল্যান্ডের কাছে ৩-২ গোলের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেন সাগরিকা।
ব্যাংককের থাম্মাসাত স্টেডিয়ামে এদিন শুরু থেকে বাংলাদেশকে কিছুটা চেপে ধরে থাইল্যান্ড। তবে ধীরে ধীরে মানিয়ে নেয় বাংলাদেশের ফুটবলাররা। থাইল্যান্ডের একাধিক আক্রমণের বিপরীতে পাল্টা আক্রমণই ছিল বাংলাদেশে ভরসা। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে থাইল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
মাঝমাঠ থেকে মোমিতা খানের দুর্দান্ত এক পাস থেকে থাইল্যান্ডের রক্ষণ ভেঙে বল নিয়ে সবাইকে পেছনে ফেলে একাই এগিয়ে যান সাগরিকা। থাইল্যান্ডের গোলরক্ষককে একা পেয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি এই ফরোয়ার্ড। তাতে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় লাল-সবুজের দল।
বিরতি থেকে ফিরেই লিড বাড়িতে নেয় বাংলাদেশ। ম্যাচের ৫০তম মিনিটে উমহেলা মারমার বাড়ানো বল থেকে থাইল্যান্ডের গোলরক্ষকের পায়ের মাঝখান দিয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিং দেন সাগরিকা। দুই গোলের লিড নিয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
তবে ১০ মিনিটেই স্বপ্নভঙ্গ হয় বাংলাদেশের। স্বপ্নভঙ্গের শুরুটা হয় ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে। বক্সের মধ্যে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে ফাউল করার কারণে পেনাল্টি পেয়ে যায় তারা। এরপর স্পটকিক থেকে কুরিসারা লিম্পাওয়ানিচ সহজেই গোল করে ব্যবধান কমায় স্বাগতিকরা।
সাত মিনিট পরে ফের একই কারণে পেনাল্টি পেয়ে যায় থাইল্যান্ড। এবার স্পটকিক থেকে থ্যাইল্যান্ডকে সমতায় ফেরান রিনিয়াফট মুনডং। সমতা ফিরিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে থাইল্যান্ডে। সেই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে পিচাতিদা মানোয়াংয়ের গোলে লিড নেয় থাইল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের ব্যবধানেই জয় নিয়ে মাঠে ছাড়ে স্বাগতিকরা।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের পরবর্তী দুটি ম্যাচ চীন ও ভিয়েতনামের বিপক্ষে। আগামী ৪ এপ্রিল দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী চীনের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের দল। এরপর ৭ এপ্রিল শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামকে মোকাবিলা করবে দলটি।
ক্রিফোস্পোর্টস/১এপ্রিল২৬/বিটি




















