
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিভিন্ন সময় খেলোয়াড়দের ঠিকমতো বেতন না পাওয়ার বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে। এই ইস্যু সমাধানে প্রথমবারের মতো ক্রীড়াবিদদের জন্য মাসিক ভাতা ও বিশেষ ‘ক্রীড়া কার্ড’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের এমন উদ্যোগে কারণে খেলোয়াড়েরা এখন চোখ বন্ধ করে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে নিতে পারবেন বলে মনে করেন সাফজয়ী অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।
আজ সোমবার (৩০ মার্চ) ‘ক্রীড়া কার্ড’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যেখানে প্রথম ধাপে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদ ১ লাখ টাকা করে মাসিক ভাতা পেয়েছেন।
ভাতা পেয়ে উচ্ছ্বসিত দেশের বিভিন্ন ক্রীড়াবিদরা। ভাতা পেয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সাফজয়ী অধিনায়ক সাবিনা। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা এখন চোখ বন্ধ করে খেলাকে পেশা হিসেবে নিতে পারবেন। আমার কাছে মনে হয়ে সেই মুহূর্তটা চলে এসেছে। সরকার আমাদের যেই ভাতা কার্ড দিয়েছে, সেটার কারণে খেলোয়াড়দের খেলার চাহিদাটা অনেক বেড়ে যাবে। এতে আমাদের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে বলে মনে হয় আমার।’
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ক্রিকেট-ফুটবলের বাইরে অন্য ক্রীড়াবিদরা চাহিদা অনুযায়ী বেতন পান না। অনেক সময় ফুটবলারও ঠিকমতো বেতন না পাওয়ার বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে নারী ফুটবলাররা। সরকারের এই উদ্যোগে ক্রীড়াবিদদরা নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে ক্রিকেট-ফুটবলের বাইরের অন্যান্য ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়েরা বেশ উচ্ছ্বসিত।
সদ্য এশিয়া কাপ আর্চারিতে সোনা জিতে আশা হিমু বাছাড় বলেন, ‘যেখানে ভবিষ্যৎ নেই, সেখানে তো কেউই যেতে চায় না। সবাই একটা ভালো একটা ভবিষ্যতের দিকে এগোতে চায়। আমাদের পাইপলাইনের যে আর্চাররা আছে, এই উদ্যোগের কারণে তারা আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হবে এবং সামনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করবে।’
টেবিল টেনিস তারকা খই খই সাই মারমা বিশ্বাসই করতে পারছেন না মাসে মাসে বেতন পাবেন। তিনি বলেন, ‘আসলে কখনো ভাবতেই পারি নাই যে মাসে বেতন পাব। এটা প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য খুশির ব্যাপার। যেহেতু এ রকম একটা সাপোর্ট পাচ্ছি দেশ থেকে এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী যে আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে, তো আমরা চেষ্টা করব অলিম্পিক পর্যায়ে খেলার এবং আরও ভালো করার।’
এছাড়া এর বাইরেও অন্যান্য ক্রীড়াবিদরাও ভাতা কার্ড পেয়ে বেশ খুশি। পরবর্তী ধাপে আরও ক্রীড়াবিদরা এই ভাতা কার্ড পাবেন।
ক্রিফোস্পোর্টস/৩০মার্চ২৬/বিটি






















