
দু’দিন আগেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। ইতিহাস গড়ে প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার এবং সর্বোচ্চ তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে ভারত। তবে এরই মাঝে ভারতীয় পেসার আর্শদীপ সিংকে শাস্তি দিল ইন্টারন্যাশলান ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
মূলত শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে নিউজিল্যান্ড তারকা ড্যারিল মিচেলের গায়ে বল ছুড়ে মেরে শাস্তি পেলেন আর্শদীপ। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে কিউইদের ব্যাটিংয়ের সময় মিচেলকে বুল ছুড়ে মারার ঘটনার দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
আর্শদীপের বল মোকাবিলা করতে গিয়ে বক্স থেকে কিছুটা বেরিয়ে এসেছিলেন মিচেল। এরপর মিচেলের ব্যাটে লেগে বল আর্শদীপের হাতে পৌঁছায়। তবে ততক্ষণে বক্সের মধ্যে চলে আসেন মিচেল। তবুও মেজাজ হারিয়ে বল ছুড়ে মারেন আর্শদীপ,যা তার শরীরে গিয়ে লাগে। এরপর দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। তখন আর্শদীপকে শান্ত করেন আম্পায়ার এবং মিচেলের দিকে এগিয়ে গিয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।
তবে এমন আচরণে আইসিসি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন আর্শদীপ। আচরণবিধির ২.৯ ধারা ভেঙেছেন তিনি। যেখানে বলা হয়েছে– আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালে অযাচিতভাবে নিকটস্থ ক্রিকেটারের দিকে বল (কিংবা যেকোনো ধরনের ক্রিকেটীয় সরঞ্জাম) ছুড়ে মারা অথবা ভয়ংকর আচরণ করলে আচরণবিধি ভঙ্গ হবে। আইসিসি আচরণবিধির লেভেল-১ লঙ্ঘনের দায়ে ম্যাচ ফি’র ১৫ শতাংশ জরিমানা গুনতে হচ্ছে আর্শদীপকে। একইসঙ্গে তার নামের পাশে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ হয়েছে।
অবশ্য ম্যাচশেষে মিচেলের কাছে ক্ষমা চেয়েছে আর্শদীপ। এই ভারতীয় পেসার বলেন, ‘আমি ম্যাচ শেষে মিচেলের কাছে ক্ষমা চাইতে গিয়েছি। আমার থ্রো রিভার্স-সুইং করে তাকে আঘাত করে। এটি ইচ্ছাকৃত ছিল না। এ ঘটনায় আমি তার কাছে ক্ষমা চেয়েছি।’
২৪ মাসে এটি তার প্রথম ডিমেরিট পয়েন্ট। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় ২৪ মাসের মধ্যে চার বা এর বেশি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে সেটি নিষেধাজ্ঞা পয়েন্টে রূপ নেবে। চারটি ডিমেরিট পয়েন্ট মানে দুটি নিষেধাজ্ঞা পয়েন্ট। আর দুটি নিষেধাজ্ঞা পয়েন্ট পেলে একটি টেস্ট ম্যাচ বা দুটি ওয়ানডে কিংবা দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নিষিদ্ধ হবেন।
ক্রিফোস্পোর্টস/১০মার্চ২৬/বিটি





















