
চলমান নারী এশিয়ান কাপের শেষটা আশানুরূপ হলো না বাংলাদেশের। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে হেরে গেলেও শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে হারানোর লক্ষ্য নিয়েই খেলতে নেমেছিল পিটার বাটলারের শিষ্যরা। তবে উজবেকদের কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে আফঈদা-ঋতুপর্ণারা।
সোমবার (৯ মার্চ) গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ নারী দল। পার্থে ম্যাচের শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ ছিল উজবেকদের কাছে। তাতে ১০ মিনিটেই লিড নেয় দলটি। পরবর্তীতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালায় ঋতুপর্ণা-তহুরারা। কিন্তু বাজে ফিনিশিংয়ের কারণে গোলবঞ্চিত হয় দল। তাতে ১-০ পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আফঈদারা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আক্রমণের ধার বাড়ায় বাংলাদেশ। তবে একপাশে আক্রমণ চালালেও অপরপাশে উজবেকদের কাউন্টার অ্যাটাক ও বাংলাদেশের বাজে ডিফেন্সের কারণে দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিনটি গোল হজম করে বাংলাদেশ। উজবেকরা কাউন্টার অ্যাটাকে অসাধারণ ফিনিশিং দেখিয়েছে। তবে বাংলাদেশ এই জায়গাতেই পিছিয়ে পড়ে। ম্যাচের সবজায়গায় ভালো করেও ভালো ফিনিশিংয়ের অভাবে পায়নি কোনো গোলের দেখা।
ম্যাচশেষে মনিকা চাকমাও এমনটাই জানিয়েছেন। এই তারকা ফুটবলার বলেন, ‘আমরা পুরো ৯০ মিনিট ভালো খেলার চেষ্টা করেছি। আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করে নেমেছিলাম, সেভাবেই খেলেছি। আমাদের পাসিং অ্যাকুরেসি, টিম পজিশন সবকিছুই ভালো ছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো আমরা গোল হজম করেছি।’
তিনি আরও হলেন, ‘আজকের ম্যাচে জিততে পারলে অবশ্যই আমাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট ছিল। কিন্তু আমরা গোল করতে পারিনি। যদি গোল করতে পারতাম, হয়ত আমাদের জন্য আরও ভালো হতো৷ আমাদের দরকার ছিল গোল করাটা।’
ভবিষ্যতে আরও ভালো করার প্রতিশ্রুতি জানিয়ে মনিকা বলেন, ‘যেহেতু আমরা প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছি, আমরা চেষ্টা করবো সামনে যেন আরও ভালো কিছু করতে পারি। আরও ভালো একটি দল হয়ে আমরা আবার এশিয়ার মঞ্চে ফিরতে চাই।’
এর আগে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে চীনের বিপক্ষে ২-০ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ৫-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে এই টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচে ১১টি গোল হজম করেছে লাল-সবুজের দল দল। বিপরীতে একটি গোলও দিতে পারেনি পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
ক্রিফোস্পোর্টস/৯মার্চ২৬/বিটি























