
ফুটবল ম্যাচে একজন খেলোয়াড়ের লাল কার্ড দেখার ঘটনা সচরাচর ঘটে থাকে। কিন্তু এক ম্যাচেই ২৩ লাল কার্ডের ঘটনা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হবে। তবে বাস্তবে এমন ঘটনাই ঘটেছে ব্রাজিলের প্রথম সারির দুই ক্লাবের ম্যাচে। মাঠে বড় ধরনের মারামারি বাধার পর দুই ক্লাব অ্যাতলেটিকো মিনেইরোর ও ক্রুজেইরোর মোট ২৩জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি।
রোববার (৮ মার্চ) রাতে ক্যাম্পেওনাতো মিনেইরোর ফাইনালে মুখোমুখি হয় অ্যাতলেটিকো মিনেইরোর ও ক্রুজেইরো। হাইভোল্টেজ এই ফাইনালেই এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মারামারির ঘটনা ঘটে। বলের পেছনে দৌড়াতে গিয়ে অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক এভারসনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছিলেন ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার ক্রিশ্চিয়ান কার্দোসো। এরপর গোলপোস্টের সামনেই ক্রিশ্চিয়ানকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং তার বুকে হাঁটু চেপে ধরেন এভারসন।
এরপর রেফারি এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে তখনই দুই দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রা এসে গোলপোস্টের ভেতরের সংঘর্ষে লিপ্ত হন। পরবর্তীতে নিরাপত্তাকর্মীরা এসে দুই দলকে আলাদা করার চেষ্টা করেন। তবে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে সামরিক পুলিশকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়।
ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যম গ্রুপো গ্লোবো জানিয়েছে, ম্যাচ শেষে ভিডিও দেখে ঘটনাটি পর্যালোচনা করে দুই দলের মোট ২৩ জন খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখানো রেফারি। এর মধ্যে ক্রুজেইরোর একমাত্র গোলদাতা কাইও জর্জেসহ ১২ জন খেলোয়াড় লাল কার্ড পান। আর অ্যাতলেটিকোর হয়ে খেলা ব্রাজিল দলের সাবেক ফরোয়ার্ড হাল্কসহ মোট ১১ জন লাল কার্ড দেখেন।
অবশ্য ফাইনালে জয় পেয়েছে ক্রুজেইরো। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে কাইও জর্জের করা একমাত্র গোলেই ১–০ জয় পায় দলটি। ক্রুজেইরোর কোচের দায়িত্বে আছেন ব্রাজিল জাতীয় দলের সাবেক কোচ তিতে। তার অধীনে ২০১৯ সালের পর প্রথমবার মিনাস জেরাইস রাজ্যের চ্যাম্পিয়ন হলো ক্রুজেইরো।
উল্লেখ্য, ব্রাজিলিয়ান শীর্ষ লিগ সিরি আ’তে খেলছে ক্রুজেইরো ও অ্যাতলেটিকো। প্রথম চার ম্যাচ পর অ্যাতলেটিকো ২ পয়েন্ট নিয়ে ১৭তম ও ক্রুজেইরো ২ পয়েন্ট নিয়ে ১৯তম স্থানে রয়েছে।
ক্রিফোস্পোর্টস/৯মার্চ২৬/বিটি
























