
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ফাইনালে আজ (রোববার) নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রীতিমতো রানের ঝড় তুলেছে ভারত। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রানের বিশাল পুঁজি গড়েছে স্বাগতিকরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নক-আউট ম্যাচের ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।
এদিন ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। পুরো আসরে হতাশ করা অভিষেক ফাইনালের বড় মঞ্চে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। মাত্র ১৯ বলেই ৩ ছয় ও ৬ চারে ফিফটি তুলে নেন এই মারকুটে ওপেনার। তবে ফিফটি তুলেই বিদায় নেন তিনি। রাচিন রবীন্দ্রকে উইকেট দেওয়ার আগে ২১ বলে ৫২ রান করেন এই তরুণ।

ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন অভিষেক শর্মা। ছবি- আইসিসি
অভিষেক ফেরার পর সঞ্জুকে সঙ্গ দেন নতুন ব্যাটার ঈশান কিশান। ব্যাটিংয়ে এসেই মারকুটে ভঙ্গিতে খেলতে থাকেন এই তারকা। দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৪৮ বলে ১০৫ রান যোগ করেন। এই জুটিতেই দলীয় দুইশ রান পেরোয় ভারত। ইনিংসের ১৬তম ওভারে ২০৩ রানের মাথায় সঞ্জুকে ফিরিয়ে বিধ্বংসী এই জুটি ভাঙেন জিমি নিশাম। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন সঞ্জু। ৪৬ বলে ৫ চার ও ৮ ছক্কায় ৮৯ রান করে ফেরেন এই অভিজ্ঞ ওপেনার।
একই ওভারে আরও দুই উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে কিছুটা চাপে ফেলে দেয় নিউজিল্যান্ড। ওভারের পঞ্চম বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আরেক সেট ব্যাটার ঈশান কিশান। সাজঘরে ফেরার আগে ২৫ বলে ৪ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৪ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার। তবে পরের বলেই গোল্ডেন ডাকে ফেরেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তাতে ২০৪ রানেই চতুর্থ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

১৬তম ওভারে ম্যাচের মোমেন্টাম ঘুরিয়ে দেন নিশাম। ছবি- আইসিসি
এরপর ভারতের রান তোলার গতি কিছুটা কমে যায়। পরের তিন ওভারে কেবল ২৭ রান তুলতে সক্ষম হয় তারা। তবে শেষ ওভারে শিবম দুবের বিধ্বংসী ক্যামিওতে দলীয় আড়াইশো পেরোয় ভারত। ৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ২৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন দুবে।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে বল হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই। নিশাম ৪ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র।
ক্রিফোস্পোর্টস/৮মার্চ২৬/বিটি




















