
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটে খেলা প্রায় নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৭৬ রানের লক্ষ্য দক্ষিণ আফ্রিকা তাড়া করল যেন কোনো পাত্তাই না দিয়ে। অধিনায়ক এইডেন মার্করামের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ১৭ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই বিশাল জয় তুলে নিয়েছে প্রোটিয়ারা।
আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টানা তিন জয়ে আসরের প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটে এক পা দিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা।
এদিন রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই ওপেনার। মাত্র ৪ ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৬২ রান তুলে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। পঞ্চম ওভারে ১৩ বলে ২০ রান করে কুইন্টন ডি কক বিদায় নিলেও ততক্ষণে জয়ের ভিত তৈরি হয়ে যায়।
ব্যাট হাতে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছেন অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। মাত্র ১৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্রুততম ফিফটির নতুন রেকর্ড গড়েন। ভেঙে দেন ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডি ককের গড়া ২১ বলের রেকর্ডটি। শেষ পর্যন্ত ৪৪ বলে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে অসাধারণ এক ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। মার্করামের ঝড়ে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকা মাত্র ৭.৩ ওভারে দলীয় ১০০ পূর্ণ করে, যা বিশ্বকাপে তৃতীয় দ্রুততম দলীয় শতরানের রেকর্ড।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ছিল ঝোড়ো। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৩ উইকেট হারালেও তারা তুলে ফেলেছিল ৮৩ রান। এক সময় মনে হচ্ছিল তাদের সংগ্রহ ২০০ ছাড়িয়ে যাবে। ১৪ ওভার শেষে কিউইদের সংগ্রহ ছিল ১৩৮ রান। কিন্তু এর পরপরই নাটকীয় ধস নামে তাদের ইনিংসে। মাত্র ৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে নিউজিল্যান্ড লড়াই করার মতো পুঁজি পেলেও তা মার্করামের ঝড়ের সামনে নস্যি প্রমাণিত হয়। দলের পক্ষে মার্ক চাপম্যান ২৬ বলে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৫ফেব্রুয়ারি২৬/এনজি



























