
আর্জেন্টিনা জাতীয় দল ও ইন্টার মায়ামি শিবিরের জন্য বড় এক দুঃসংবাদ হয়ে নেমে এলো লিওনেল মেসির চোট। বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের কারণে বুধবার মায়ামির অনুশীলনে ছিলেন না এই ফুটবল জাদুকর।
আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, গত শনিবার ইকুয়েডরের ক্লাব বার্সেলোনার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে খেলার সময় এই চোট পান মেসি।
মেসির চোটের গভীরতা বিবেচনায় নিয়ে পুয়ের্তো রিকোয় ইন্দিপেন্দিয়েন্তে দেল ভালের বিপক্ষে মায়ামির নির্ধারিত প্রীতি ম্যাচটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের অবস্থা জানিয়ে মেসি বলেন, ইকুয়েডরে সর্বশেষ ম্যাচে চোট পাই, যে কারণে দ্রুত মাঠ ছেড়েছি। এ কারণে ক্লাব ম্যাচটি মুলতবি রেখেছে। আশা করি, দ্রুতই আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে।
আগামী শুক্রবার ম্যাচটি হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে এর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি। মায়ামি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন মেসির শারীরিক অবস্থার উন্নতি পর্যবেক্ষণ করে তাঁর অনুশীলনে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২১ ফেব্রুয়ারি লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নতুন মৌসুম শুরু করতে যাচ্ছে ইন্টার মায়ামি। মৌসুম শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে দলের সেরা তারকার এই চোট কোচ হাভিয়ের মাচেরানোর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। মাচেরানোর অধীনে প্রাক-মৌসুমে মায়ামি মিশ্র ফল পেলেও লিগ শুরুর আগে মেসির সুস্থতা এখন দলটির প্রধান অগ্রাধিকার।
মেসির এই চোট কেবল মায়ামি নয়, ভাবিয়ে তুলছে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকেও। আগামী ২৭ মার্চ স্পেনের মুখোমুখি হবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। যদিও টিওয়াইসি স্পোর্টস আশা প্রকাশ করেছে যে, ফিনালিসিমার আগেই মেসি সুস্থ হয়ে উঠবেন, তবে ৩৮ বছর বয়সী এই তারকার শরীর এই বয়সে চোট থেকে সেরে উঠতে কতটা সাড়া দেয়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। মেসি আগেই জানিয়েছিলেন, এবারের প্রাক-মৌসুমের ওপর নির্ভর করবে তাঁর পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত। এই চোট তাঁর সেই বড় সিদ্ধান্তে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে ভক্তদের মনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ক্রিফোস্পোর্টস/১২ফেব্রুয়ারি২৬/এনজি






























