
জয় দিয়েই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ভারত, তবে সেই জয়ের স্বাদে মিশে গেল একরাশ অস্বস্তি। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতায় একগুচ্ছ লজ্জার রেকর্ডের তালিকায় নাম লিখিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ঘরের মাঠে খেলার পরও পাওয়ারপ্লের বিপর্যয় ও বাউন্ডারির খরা চিন্তায় ফেলেছে সমর্থকদের।
ওয়াংখেড়েতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও শুরুটা মোটেও আশানুরূপ হয়নি ভারতের। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারের মধ্যেই টপ অর্ডারের ৪ জন ব্যাটার প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে থাকে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে পাওয়ারপ্লে শেষে ভারতের স্কোরশিট হয় ৪৬ রান, যা ঘরের মাঠে ভারতের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের তৃতীয় সর্বনিম্ন।
একদিকে যখন উইকেট পতনের মিছিল, তখন লড়াই করে গেছেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৪৯ বলে অপরাজিত ৮৪ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলে দলকে বড় লজ্জার হাত থেকে রক্ষা করেন।
সূর্যকুমারের ইনিংস বাদ দিলে বাকিদের পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক। তিলক ভার্মার ২৫ রান ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। দলের ১১ জন ব্যাটারের মধ্যে মাত্র ৪ জন দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছে।
বাউন্ডারি খরা ও লজ্জার পরিসংখ্যান
ম্যাচের মাঝপথে ভারতীয় ব্যাটারদের অসহায়ত্ব আরও প্রকট হয়ে ওঠে। ইনিংসের ১৩ ওভার শেষে ভারতের রান ছিল মাত্র ৭৭/৬, যা দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় ছিল, ৫ম থেকে ১০ম ওভারের মধ্যে টানা ২৭টি বল কোনো বাউন্ডারি মারতে পারেননি ভারতীয় ব্যাটাররা। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যা অবিশ্বাস্য।
ভারতের এই পারফরম্যান্স নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক তারকা ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানান, ওয়াংখেড়ের উইকেট আইপিএলের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটের মতো না হওয়ায় ব্যাটাররা খাপ খাইয়ে নিতে পারেননি। ভারত জয় পেলেও বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ভারতের এই দুর্বল শুরু সামনের ম্যাচগুলোর জন্য অশনিসংকেত।
ক্রিফোস্পোর্টস/৮ফেব্রুয়ারি২৬/এসএ




























