
সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরেই বাজিমাত করেছে বাংলাদেশ। ব্যাংককে টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ঐতিহাসিক জয়ের পর নিজের অনুভূতি ও প্রস্তুতির গল্প শুনিয়েছেন দলের অন্যতম ফরোয়ার্ড সুমাইয়া মাতসুশিমা।
বাফুফের এক সাক্ষাৎকারে বিজয়ের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সুমাইয়া বলেন, ট্রফি জিততে সবসময়ই ভালো লাগে, কিন্তু যখন সেটা দেশের জন্য বয়ে আনা হয়, সেই অনুভূতি একদম আলাদা। আমাদের এই অর্জনে পরিবার যেমন গর্বিত, তেমনি সারা দেশের মানুষ আমাদের নিয়ে গর্ববোধ করছেন— এটিই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
জয়ের ব্যাপারে সুমাইয়া কতটা নিশ্চিত ছিলেন? জবাবে তিনি জানান, এই আত্মবিশ্বাস আকাশ থেকে পড়েনি।
তিনি বলেন, আত্মবিশ্বাস সবসময় আসে সঠিক প্রিপারেশন (প্রস্তুতি) থেকে। আমাদের এক মাসের ক্যাম্প ছিল অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর, প্রতিযোগিতামূলক এবং ইতিবাচক। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের প্রস্তুতি ভালো ছিল বলেই আমরা আজ চ্যাম্পিয়ন।
মাঠে বল কন্ট্রোল এবং ক্ষিপ্রতার পেছনে সুমাইয়ার ব্যক্তিগত পরিশ্রমের বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি নতুন নতুন স্কিল শিখতে ভালোবাসেন এবং নিয়মিত ফুটবল ফ্রিস্টাইল ট্রেনিং করেন, যা তাকে মাঠে বল নিয়ন্ত্রণে বাড়তি সুবিধা দেয়।
তবে শুধু মাঠের অনুশীলন নয়, নিজের লাইফস্টাইলকেও সাফল্যের চাবিকাঠি মনে করেন এই ফুটবলার। অফ-সিজনেও নিজেকে কড়া ডিসিপ্লিনের মধ্যে রাখেন তিনি। সময়মতো ঘুম থেকে ওঠা, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত জিম সেশন— এই ধারাবাহিকতাই তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছে।
গত ২৫ জানুয়ারি ব্যাংককের মাঠে মালদ্বীপকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। ফুটসালের এই প্রথম দক্ষিণ এশীয় টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
ক্রিফোস্পোর্টস/৩ফেব্রুয়ারি২৬/এসএ





























