বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচ মানেই বাড়তি উত্তেজনা। বয়সভিত্তিক বা সিনিয়র দুই দলের লড়াই আলাদা গুরুত্ব পায়। নেপালের পোখরায় সাফ অনূর্ধ্ব–১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে সেই লড়াইয়ে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালের পথে বড় পদক্ষেপ রাখল বাংলাদেশ। শক্ত প্রতিপক্ষ ভারতকে ২–০ গোলে হারিয়েছে লাল–সবুজের মেয়েরা।
ম্যাচের দুই গোলই এসেছে প্রথমার্ধে। ২৯ মিনিটে ফ্রি–কিক থেকে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। বলের গতি ঠিকমতো সামলাতে পারেননি ভারতের গোলরক্ষক। তাঁর হাত ছুঁয়ে বল পোস্টের সামনে পড়ে গেলে অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস কাছ থেকে বল জালে দেন।
প্রথম গোলের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলাদেশ। দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ডান দিক দিয়ে আক্রমণ গড়ে ওঠে। বক্সে পাঠানো ক্রসে বিভ্রান্ত ভারতীয় ডিফেন্ডাররা। দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান থেকে আলপি আক্তার দুর্দান্ত ফিনিশে ব্যবধান ২–০ করেন।
বিরতির পর ভারত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছে। মাঝমাঠে কিছুটা বলের দখলও নেয় তারা। তবে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ছিল গোছানো। গোলরক্ষকও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। উল্টো বাংলাদেশ আরও কিছু সুযোগ তৈরি করলেও স্কোরলাইন আর বদলায়নি।
এই জয়ে দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে বাংলাদেশ। গোল ব্যবধানও +১৪, যা তাদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে। ভারত এক ম্যাচ জিতে তিন পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। নেপাল ও ভুটান এখনো পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি।
চার দল রাউন্ড–রবিন পদ্ধতিতে একে অন্যের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলছে। তিন ম্যাচ শেষে শীর্ষ দুই দল ৭ ফেব্রুয়ারি ফাইনালে মুখোমুখি হবে। আজ নেপাল–ভুটান ম্যাচ ড্র হলে বাংলাদেশ এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ফাইনাল নিশ্চিত করবে।
তবে সমীকরণ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ভারত যদি শেষ ম্যাচে ভুটানকে হারায়, বাংলাদেশ নেপালের কাছে হারে এবং নেপাল ভুটানকে হারায় তাহলে তিন দলেরই পয়েন্ট হবে সমান ছয়। সে ক্ষেত্রে টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী গোল ব্যবধান ও হেড–টু–হেড ফলাফল বিবেচনায় নির্ধারিত হবে দুই ফাইনালিস্ট।
ক্রিফোস্পোর্টস/২ফেব্রুয়ারি২৬/টিএ
