৭ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে পাকিস্তান। গতকাল (শনিবার) লাহোরে সিরিজের দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতে ৯০ রানে জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে সালমান আগার দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯০ রানে হারটি গত ২০ বছরে টি–টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় হার।
তবে ম্যাচের ফল ছাপিয়ে আলোচনায় পাকিস্তানি স্পিনার উসমান তারিকের বোলিং অ্যাকশন। আউট হওয়ার পর তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায় অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার ক্যামেরন গ্রিনকে।
গতকাল লাহোরে তারিকের বলে ক্যাচ তুলে আউট হন ক্যামেরন গ্রিন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান রান করা গ্রিন আউট হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় বাউন্ডারি সীমানা পার হয়ে সাইডলাইনে যেতেই তিনি হাত দিয়ে বেসবল ছোড়ার মতো অঙ্গভঙ্গি করেন।
ম্যাচের পর পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া দলের সংবাদ সম্মেলনে তারিকের বোলিং অ্যাকশন ও গ্রিনের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে পাকিস্তানি ব্যাটার উসমান খান বলেন, ‘অ্যাকশনের বিষয়টি আম্পায়ারের দেখার বিষয়। অস্ট্রেলিয়ার হাভিয়ের বার্টলেট অবশ্য ধারণা নেই বলে এড়িয়ে গেছেন।’

তারিকের বোলিং অ্যাকশন। ছবি: সংগৃহীত
এদিকে ম্যাচ শেষে গ্রিনকে ইঙ্গিত করে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তারিক, সেখানে একটি শিশুকে কাঁদতে দেখা যায়। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আউট হওয়ার পর’। সঙ্গে একটি হাসির ইমোজি।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী বল ডেলিভারির সময় বোলারের কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি বাঁকা হতে পারবে না। তবে জন্মগতভাবে কনুই বাঁকানো থাকলে সেটি হিসাবের বাইরে রাখা হয়। আইএল টি-টোয়েন্টিতে খেলার সময় টম ব্যান্টনের করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারিক বলেছিলেন, ‘আমার কনুইতে দুটি কোণ আছে, যার কারণে আমি হাত সম্পূর্ণভাবে সোজা করতে পারি না। এটা অনেককে বিভ্রান্ত করে। আমি পাকিস্তানের দুটি ল্যাবে পরীক্ষা দিয়েছি, এবং আমার অ্যাকশন বৈধ প্রমাণ হয়েছে।’
তারিক আরও বলেছিলেন, ‘যখন কোনো স্পিনারকে চাকিংয়ের অভিযোগে ল্যাবে পাঠানো হয়, তখন বোলিং অ্যাকশন পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়। আমি পরীক্ষার জন্য যাওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যে তার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আমার অ্যাকশন পরিবর্তন বা সংশোধন করার প্রয়োজন হয়নি। আমি নিজের অ্যাকশন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী, কারণ আমি চাকিং করি না।’
ক্রিফোস্পোর্টস/১ফেব্রুয়ারি২৬/এআই
