টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে বয়কটের আলোচনা চললেও এখন আর সে পথে হাঁটার সুযোগ নেই বলে মনে করছেন সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক রশিদ লতিফ। তার মতে, কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়টা আগেই পেরিয়ে গেছে। তবে প্রতিবাদের বিকল্প হিসেবে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার প্রস্তাব সামনে রেখেছেন তিনি।
একটি ইউটিউব অনুষ্ঠানে লতিফ বলেন, বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত যদি নিতে হতো, সেটি আইসিসির সাম্প্রতিক বোর্ড সভার সময়ই নেওয়া উচিত ছিল। সিদ্ধান্তেরও একটা সময় থাকে। যখন পরিস্থিতি চূড়ায় থাকে, তখনই অবস্থান জানাতে হয়। সেই সময়টা ছিল গত সপ্তাহে। এখন আর সে জায়গা নেই।
বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার পর পাকিস্তানের অবস্থান কী হবে তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। লতিফ শুরুতে বয়কটের পক্ষে মত দিলেও এখন বলছেন, বোর্ড যদি কিছু করতে চায়, তাহলে নির্দিষ্টভাবে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকার যদি বলে আমরা ভারতের সঙ্গে খেলব না, তাহলে আইসিসিকে বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। না মানলে সেখান থেকেই জটিলতা শুরু হবে। ফাইনালেও যদি দু’দল মুখোমুখি হয় সেক্ষেত্রে একই অবস্থান থাকবে কি না এ প্রশ্নে তিনি স্পষ্ট বলেন, খেলবেন না।
আইসিসির ভোটাভুটিতে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পাকিস্তান বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলানো যায়নি। লতিফ মনে করেন, সেই ভোটই ছিল সংহতি দেখানোর জায়গা। আমরা আমাদের অবস্থান জানিয়েছি। এখন নতুন করে বয়কট করলে আগের মতো প্রভাব পড়বে না।
এদিকে পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভী আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বোর্ড নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। বর্তমান সূচি অনুযায়ী, হাইব্রিড মডেলে অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ম্যাচগুলো ২০২৭ সাল পর্যন্ত নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের ব্যবস্থাও বহাল রয়েছে।
সব মিলিয়ে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা থাকলেও, সাবেক এই অধিনায়কের মতে সম্পূর্ণ বয়কটের এখন আর সুযোগ নেই পাকিস্তানের সামনে। আজকে কিংবা আগামী সোমবার জানা যেতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
ক্রিফোস্পোর্টস/৩০জানুয়ারি২৬/টিএ
