টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে, কিন্তু পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। দল ঘোষণার পরও আনুষ্ঠানিকভাবে অবস্থান স্পষ্ট করেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে মনে করেন, শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান খেলতেই আসবে। আর অজিঙ্কা রাহানের মতে, বিশ্বকাপ বয়কট করার মতো ঝুঁকি নেওয়ার সাহস তাদের নেই।
ভারত ও শ্রীলঙ্কায় ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া আসর ঘিরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে শিগগিরই। গত ২৬ জানুয়ারি পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আলোচনা শেষে এক দুই দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে ক্রিকবাজে আলোচনায় হার্শা ভোগলে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে। তার মতে, বিষয়টি নিয়ে অযথা নাটকীয়তা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এটি কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বা ক্লাব টুর্নামেন্ট নয় যে ইচ্ছামতো সরে দাঁড়ানো যাবে। বিশ্বকাপে না এলে পাকিস্তানের ক্রিকেটই বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।
ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণ। সম্প্রচারস্বত্ব, স্পনসরশিপ ও দর্শক আগ্রহ সব দিক থেকেই এই ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তান অংশ না নিলে আর্থিক প্রভাব পড়তে পারে আইসিসির ওপরও। তবে হার্শার বক্তব্য, কেউ পাকিস্তানকে আলাদা করে অনুরোধ করবে না। সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে।
একই আলোচনায় অজিঙ্কা রাহানে বলেন, পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত খেলতেই বাধ্য হবে। তার মতে, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চ এড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তারা নেবে না।
এই অনিশ্চয়তার সূত্রপাত বাংলাদেশের বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত ঘিরে। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে বিসিবি ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছিল বিসিবি। আইসিসি পূর্বনির্ধারিত সূচি বহাল রাখলে বাংলাদেশ ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলা থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপরে তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই পাকিস্তানের অবস্থান নিয়ে জল্পনা বাড়ে। দেশটির ক্রিকেট বোর্ড, সাবেক অনেক ক্রিকেটারই বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে আসছিল।
এখন অপেক্ষা পিসিবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে। বিশ্বকাপের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে, সিদ্ধান্ত জানাতে দেরি করার সুযোগও খুব বেশি নেই।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৯জানুয়ারি২৬/টিএ
