Connect with us
ফুটবল

সিডনির ভ্যালেন্টাইন স্পোর্টস পার্কে ঘাঁটি গড়বে বাংলাদেশ

bd women football
বাংলাদেশ নারী ফুটবল টিম। ছবি: সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো নারী এশিয়ান কাপে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ইতিহাসের এই মঞ্চে নাম লেখালেও প্রস্তুতির দিক থেকে দলটি এখনো পুরোপুরি শতভাগ ভালো অবস্থায় নেই। সীমিত সময়, অনিশ্চিত বিদেশ সফর আর ঘরোয়া লিগের ব্যস্ততার মধ্যেই এগোচ্ছে বাঘিনীদের প্রস্তুতি।

আগামী ১ মার্চ শুরু হবে এশিয়ান কাপ। তার আগে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে সিডনির ভ্যালেন্টাইন স্পোর্টস পার্কে ক্যাম্প করবে বাংলাদেশ দল। ২০২৩ নারী বিশ্বকাপের সময় ফ্রান্স দলও এই ভেন্যু ব্যবহার করেছিল। পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ মাঠ, সিনথেটিক ও প্রাকৃতিক টার্ফ, ফ্লাডলাইট সুবিধা, জিম ও রিকভারি সেন্টার সব মিলিয়ে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস কমপ্লেক্স। আন্তর্জাতিক ক্যাম্প আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব সুবিধাই রয়েছে সেখানে।

অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানকালে ২৬ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি দলকে থাইল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের। সেখানে পাঁচ থেকে সাত দিনের একটি ট্রানজিশন ক্যাম্প এবং একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা চলছে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।



কমলাপুরে মেয়েদের লিগের খেলা দেখতে এসে বাফুফে সহসভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি দল থাইল্যান্ডে যাবে। সব কিছু ঠিক থাকলে সেখানেই হবে সংক্ষিপ্ত ক্যাম্প। কোনো কারণে সেটি সম্ভব না হলেও অস্ট্রেলিয়া সফর অপরিবর্তিত থাকবে।

প্রস্তুতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল জাপানে ক্যাম্পের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়া। এশিয়ান কাপে খেলা নিশ্চিত হওয়ার পর সেই উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। দেশের বাইরে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির নিশ্চয়তা এখনো মেলেনি।

এদিকে ৩১ জানুয়ারি থেকে নেপালে শুরু হচ্ছে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সে কারণে লিগে বিরতি পড়বে। বাকি দুই রাউন্ড শেষ হবে ১০ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় দলের ফুটবলাররা বিশ্রাম পাচ্ছেন না। আজ থেকেই শুরু হচ্ছে তাঁদের অনুশীলন। তবে কোচ পিটার বাটলার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দায়িত্বে সাফ খেলতে নেপাল যাবেন।

র‍্যাঙ্কিংয়ের বিচারে ১২ দলের মধ্যে সবচেয়ে নিচে বাংলাদেশ। গ্রুপে আছে উত্তর কোরিয়া, চীন ও উজবেকিস্তান। এই তিন দলের প্রস্তুতি অনেক আগেই শুরু হয়েছে। উজবেকিস্তান ইতিমধ্যে ভিয়েতনামে ক্যাম্প করছে এবং সেখানেই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে।

বাংলাদেশের বাস্তবতা ভিন্ন। লিগ খেলেই প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে জাতীয় দলের ফুটবলারদের। খাবার, ফিটনেস বা পুনর্বাসনের মতো বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নেই। তবু এই ম্যাচগুলোকে শেখার সুযোগ হিসেবেই দেখছেন অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার। তাঁর মতে, লিগে প্রায় দশটি ম্যাচ খেলতে পারাটা বড় সুযোগ। ভুল থেকে শেখাই এখন লক্ষ্য।

ক্রিফোস্পোর্টস/২৮জানুয়ারি২৬/টিএ

Crifosports announcement

Focus

More in ফুটবল