সুপার সিক্সে বাঁচামরার ম্যাচে লড়াই গড়ার মতো পুঁজি গড়তে পারেনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল। ১৩৬ রানে অলআউট হওয়ার পর সেই লক্ষ্য ২৫ ওভারও লাগেনি ইংল্যান্ডের। বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে ৭ উইকেটের জয়ে সেমিফাইনালের আগেই বাংলাদেশের বিদায় নিশ্চিত করেছে ইংলিশ যুবারা।
টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত কাজে আসেনি। প্রথম ওভারেই জাওয়াদ আবরার ফিরলে চাপ বাড়ে। ওপেনার রিফাত বেগ ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম ৪৬ রানের জুটি গড়লেও সেটিই ছিল ইনিংসের লম্বা জুটি। ৩৬ বলে ৩১ রান করা রিফাত আউট হওয়ার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আজিজুল করেন ২০, উইকেটকিপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ২৫। এর বাইরে আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি। ৩৮.১ ওভারে থামে ইনিংস।
ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে মরগান নেন ৩ উইকেট। আলবার্ট ও লামসডেন পান দুটি করে।
১৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় ইংল্যান্ডও। আল ফাহাদ তৃতীয় ওভারে জোসেফ মুরসকে ফিরিয়ে আশা জাগান। পরে বেন ডকিন্সকেও আউট করেন এই পেসার। ৯ ওভারে ৩৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ম্যাচে কিছুটা লড়াইয়ের সুযোগ ছিল।
কিন্তু সেখানেই থেমে যায় বাংলাদেশের প্রতিরোধ। অধিনায়ক টমাস রু ও বেন মায়েস ৭৮ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেন। মায়েস ৩৪ করে ফিরলেও রু শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৫৯ রান করেন। ২৪.১ ওভারে লক্ষ্য পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। ম্যাচসেরা হয়েছেন রু।
গ্রুপ পর্বে ভারতকে পেছনে ফেলতে না পারলেও দ্বিতীয় হয়ে সুপার সিক্সে উঠেছিল বাংলাদেশ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে পাওয়া জয় পয়েন্ট হিসেবে কাজে আসেনি। ভারতকে হারাতে না পারা ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টিতে ম্যাচ ভেসে যাওয়ায় সুপার সিক্স শুরু করে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে। ফলে প্রথম ম্যাচেই জয়ের বিকল্প ছিল না।
সেটি না হওয়ায় ২০২০ সালে শিরোপা জয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালের আগেই বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দলকে। তবে টুর্নামেন্ট শেষ হয়নি এখনও। ৩১ জুন হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচ খেলবে আজিজুল হাকিমের দল।
ক্রিফোস্পোর্টস/২৬জানুয়ারি২৬/টিএ
