১১২ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে একে একে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া সিলেট টাইটান্সের জয়ের জন্য শেষ বলে দরকার ছিল ৬ রান। ফাহিম আশরাফের করা বলে ছক্কা হাঁকিয়েই দলকে জিতিয়েছেন ইংলিশ পেস অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস। তাতেই রংপুরকে বিদায় করে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত হয় সিলেটের।
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে খালেদ আহমেদ, ক্রিস ওকসদের বোলিং তোপে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে মাত্র ১১১ রান করে রংপুর। জবাবে ৩ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নিয়েছে সিলেট।
সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথমেই তৌফিক খানের উইকেট হারায় সিলেট। তরুণ আরিফুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামলানোর চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন ইমন। ১২ বলে ১৮ করে ইমন ফেরার পর আরিফুল ফেরেন ১৮ বলে ১৭ করে। সিলেটের স্কোর দাড়ায় ৬.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান।
ভালো করতে পারেনি আফিফও, ফিরেছেন ৯ বলে ৩ করে। আফিফের বিদায়ের পর স্যাম বিলিংসকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামলে উঠার চেষ্টা করেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান, গড়েন ৫০ রানের জুটি।
তবে দলীয় ৯০ রানে মেহেদী ও ৯৪ রানে বিলিংসের বিদায়ে ম্যাচে চালকের আসনে বসে রংপুর। মঈন আলি ফেরেন দলীয় ১০৫ রানে। ক্রিজে তখন ক্রিস ওকস ও খালেদ আহমেদ। শেষ বলে সিলেটের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রানের, ফাহিম আশরাফের করা বলে ছক্কা হাঁকিয়েই দলকে কোয়ালিফায়ারে নিয়ে যান ইংলিশ পেস অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস।
এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে রংপুরকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান সিলেটের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। দলীয় ২৯ রানের মাথায় সাজঘরের পথ ধরেন চারজন ব্যাটার। ডেভিড মালান ৪, তাওহীদ হৃদয় ৪, লিটন দাস ১ ও কাইল মেয়ার্স ৮ রানে আউট হন।
পঞ্চম উইকেটে দলের হাল ধরার চেষ্টা চালান খুশদিল শাহ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজন মিলে গড়েন ৩৪ রানের জুটি। মাত্র ১৯ বলে ৩০ রান করে আউট হন খুশদিল। আর দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করে ফেরেন রিয়াদ।
সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন খালেদ আহমেদ। দুটি করে উইকেট নেন ক্রিস ওকস ও নাসুম আহমেদ। ম্যাচসেরা হয়েছেন খালেদ আহমেদ।
ক্রিফোস্পোর্টস/২০জানুয়ারি২৬/এআই
