টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডের নাম উঠে এলেও, বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়নি বলে জানিয়েছে স্কটিশ ক্রিকেট বোর্ড। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি এ নিয়ে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে এখনো কোনো আলোচনা করেনি।
নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় নিজেদের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধ জানিয়ে আইসিসিকে একাধিক চিঠি দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানায়, টুর্নামেন্ট শুরুর এত কাছাকাছি সময়ে বিকল্প ভেন্যু নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব। অন্যদিকে, ভারতে খেলতে অনিচ্ছুক অবস্থান থেকেও সরে আসেনি বাংলাদেশ।
এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে দেরি করলে বিকল্প দল হিসেবে পরবর্তী সেরা র্যাংকিংধারী স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে। যদিও বিবিসি জানাচ্ছে, আইসিসির পক্ষ থেকে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা বিসিবির বর্তমান অবস্থানকে সম্মান করে এই ইস্যুতে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে চায় না। বাংলাদেশের সংকটের সময় বাড়তি চাপ তৈরি করুক এমন কোনো ভূমিকায় যেতে রাজি নয় তারা।
এর আগেও এমন অভিজ্ঞতা আছে স্কটল্যান্ডের। ২০০৯ সালে রাজনৈতিক কারণে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল জিম্বাবুয়ে। সে সময় প্রি-টুর্নামেন্ট বাছাইয়ের সেরা দল হিসেবে বিশ্বকাপে সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। তবে এবারের পরিস্থিতি আলাদা। এখন অঞ্চলভিত্তিক বাছাইয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে দল চূড়ান্ত হয়, ফলে আইসিসি আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত কোনো দেশকেই প্রস্তাব দিচ্ছে না।
তবুও সম্ভাবনার দরজা খোলা থাকায় প্রস্তুতিতে ঘাটতি রাখছে না স্কটিশরা। নিয়মিত অনুশীলনের পাশাপাশি মার্চে ওমান ও নামিবিয়ার সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে তারা। ওই সিরিজকে সামনে রেখেই আপাতত পরিকল্পনা সাজাচ্ছে স্কটল্যান্ড ক্রিকেট।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর দাবি, আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত জানাতে সময় বেঁধে দিয়েছে আইসিসি। যদিও বিসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো নির্দিষ্ট ডেডলাইনের কথা তাদের জানানো হয়নি।
ক্রিফোস্পোর্টস/২০জানুয়ারি২৬/টিএ
