আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে (আফকন) গতকাল (রোববার) রাতে মরক্কোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেনেগাল। তবে ‘লায়ন্স অব তেরেঙ্গা’-দের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের দিনে সঙ্গী হয়েছে সমালোচনাও, ম্যাচে ঘটেছে দলটির ফুটবলারদের মাঠ ছাড়ার ঘটনা। বিতর্কিত এই কাণ্ডে শাস্তির মুখে পড়তে পারে দলটি।
মরক্কোর রাজধানী রাবাতে যোগ করা সময়ে পাপে গেয়ির গোলে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের শিরোপা জেতে সেনেগাল। তবে ম্যাচে ঘটে নজিরবিহীন এক ঘটনা,
রেফারির দেওয়া পেনাল্টির সিদ্ধান্তকে ঘিরে সেনেগালের ফুটবলাররা ছাড়েন মাঠ। ১৬ মিনিট থেমে থাকার পর আবার শুরু হয় ম্যাচ।
খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠ ছাড়ার এই ঘটনায় নিজের আচারণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন সেনেগাল কোচ পাপে থিয়াও। তিনি বলেন, ‘আমি পুরোপুরি ঠিক মতো বুঝতে পারিনি যে খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে বলাই সঠিক ছিল কিনা। ফুটবলের কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি। কিছু মুহূর্তে উত্তেজনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে আমরা রেফারির ভুল মেনে নিচ্ছি এবং ফুটবলের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
মাঠ ছাড়ার পর আবার মাঠে ফিরে আসলেও শাস্তি থেকে নিস্তার মিলবে কি না সেটি নিয়ে রয়েছে সন্দেহ। রাবাতের পুরো ঘটনাটি পর্যালোচনা করবে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ)। মাঠ ছাড়ার নিয়ম অনুযায়ী, রেফারির অনুমতি ছাড়া ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে কোনো দল মাঠ ছেড়ে দিলে, সেই দলকে পরাজিত হিসেবে গণ্য করা হবে।
আফকনের ৩৫নং নিয়মে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘যেকোনো কারণে যদি কোনো দল প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায়, ম্যাচে উপস্থিত না হয়, খেলতে অস্বীকৃতি জানায় অথবা রেফারির অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগে মাঠ ত্যাগ করে, তবে সেই দলকে পরাজিত হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং চলমান প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া হবে।’
তবে সেনেগাল মাঠ ছাড়লেও পরে ফিরে এসে খেলা শেষ করেছে, তাই সরাসরি বহিষ্কারের বদলে জরিমানা, আনুষ্ঠানিক সতর্কতা বা ম্যাচের ফল নিয়ে পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্তও আসতে পারে। সেনেগালের শাস্তির আরেকটি বড় কারণ হতে পারে তাদের সমর্থকরা ম্যাচের মাঠে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া।
ক্রিফোস্পোর্টস/১৯জানুয়ারি২৬/এআই
