বিপিএলে ভালো শুরুর পরেও আশানুরূপ ফল পাচ্ছে না সিলেট টাইটান্স। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে আফিফের কণ্ঠেও একি হতাশা। প্রথম তিন ম্যাচে দুই জয় পাওয়া দলটি শেষ চার ম্যাচের তিনটিতেই হেরেছে। হারের পর মাঠে শিশির ও নিজের বড় রান করতে না পারাকেই দায়ী করলেন তিনি।
চট্টগ্রামের বিপক্ষে ১৪ রানে হেরে সিলেটের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। হারের দায় নিজের কাঁধেই নেন তিনি। তিনি বলেন, আমি যতক্ষণ উইকেটে ছিলাম ম্যাচ আমাদের পক্ষেই ছিল। আমি আউট হওয়ার পরেই মূলত দল ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। যেহেতু আমি ম্যাচ শেষ করে আসতে পারিনি এর দায় আমারই।
নিজের ব্যাটিং পজিশন ও ইনিংসগুলো বড় করা নিয়ে এক প্রশ্নে আফিফ বলেন, আজকের আগে আমি ৫-৬ নাম্বারে ব্যাটিং করেছি। আর ৫-৬ নাম্বারে নেমে প্রতিনিয়ত ৭০-৮ রান করা সম্ভব না। উপরের দিকে যতটুকু সুযোগ থাকে নিক্সে সেই সুযোগটাও থাকে না। তবে চেষ্টা করেছি যতক্ষণ উইকেটে থাকি দলে ইমপ্যাক্ট রাখার জন্য।
দলের ব্যাটিং অর্ডার ঘন ঘন পরিবর্তন নিয়েও তিনি কথা বলেন। তিনি বলেন, যেহেতু বারবার ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন হচ্ছে তারমানে এখনো সেটেলড হয়নি। তবে এ ব্যাপারে উত্তরটা ম্যানেজমেন্ট এবং অধিনায়কই ভালো দিতে পারবে।
প্রসঙ্গত, গতকাল চট্টগ্রামের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল সিলেট টাইটান্সের। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। নাঈম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটনের জুটিতে আসে ৩৫ রান। নাঈম ফিরলেও তিন নম্বরে নেমে ঝড় তোলেন মাহমুদুল হাসান জয়। মাত্র ২১ বলে ৪৪ রান করে তিনি ফিফটির আগে থামেন। রসিংটন করেন ৩৮ বলে ৪৯ রান। মাঝের ওভারে হাসান নওয়াজ ও আসিফ আলী কার্যকর ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ১৩ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৮ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় চট্টগ্রাম।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই চাপে পড়ে সিলেট। ৪ রানে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ফিরলে কিছুটা চাপে পড়ে যায় সিলেট। আফিফ হোসেন ধ্রুব এক প্রান্ত ধরে ৩৩ বলে ৪৬ রান করলেও অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়ে। শেষ দিকে খালেদ আহমেদ ৯ বলে ২৫ রান করে ব্যবধান কমালেও তানভীর ইসলামের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে শেষ ওভারে ১৪ রানের জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামের হয়ে আমের জামাল নেন ৪ উইকেট, শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম নেন দুটি করে।
ক্রিফোস্পোর্টস/৮জানুয়ারি২৬/টিএ
