ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে জয়টা রংপুর রাইডার্সের জন্য সহজ হওয়ার কথা ছিল না, মাঠেও সেটা দেখা গেলো। ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় দলটি। প্রথম ছয় ওভারের মধ্যেই মাত্র ৩১ রান তুলতে গিয়ে তিন ব্যাটার ফিরে গেলে চাপে পড়ে রংপুর। ঠিক সেই সময় ইনিংসের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ডেভিড মালান।
অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার ব্যাট করতে নেমে প্রথমে সময় নেন, পরিস্থিতি বুঝে খেলেন। ৪১ বলে ৫১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ম্যাচ ঘুরে যায় রংপুরের দিকে।শেষ দিকে খুশদিল শাহর ২১ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে রংপুর। শেষ পর্যন্ত জয়ের পথে দলকে টেনে নেওয়ার পাশাপাশি টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ম্যাচসেরার স্বীকৃতি পান তিনি। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেও উঠে এসেছে রংপুর।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণীতে মাহমুদউল্লাহ বলেন, শুরুটা ভালো না হলেও দল ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা দেখিয়েছে। তাঁর কথায়, ‘আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমেই সর্বশক্তিমান আল্লাহকে ধন্যবাদ। দিন শেষে এটা আবারও প্রমাণ হলো, ক্রিকেট খুবই আনপ্রেডিক্টেবল।’
নিজের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি খুব বেশি বড় কথা বলতে চাননি। আগের ম্যাচেও ম্যাচসেরা হওয়া প্রসঙ্গে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ব্যাটিংয়ে এখন একটা ভালো ছন্দ পাচ্ছেন। ‘এর আগেও এমন কিছু ইনিংস খেলেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এখন ব্যাটিংয়ে একটা মোমেন্টাম আছে। আশা করি সামনে দিনগুলোতেও এটা ধরে রাখতে পারব, ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ম্যাচে সুপার ওভারে হারের পর সমালোচনায় পড়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ বলে রানআউট হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছিল তার ভূমিকা নিয়েও। সিলেটের বিপক্ষেও সেই চাপটা যেন ব্যাট হাতে উড়িয়ে দিয়েছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক। ১৬ বলে ৩৪ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলে সেদিনও ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে। ফলে টানা দুই ম্যাচে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতলেন তিনি।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের ২ নাম্বারে উঠে এসেছে রংপুর। অন্যদিকে টেবিলের ৫ নাম্বারে অবস্থান করছে ঢাকা।
ক্রিফোস্পোর্টস/৫জানুয়ারি২৬/টিএ
