
আইএল টি–টোয়েন্টিতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে আবারও আলোচনায় মুস্তাফিজুর রহমান। শুক্রবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে বড় জয়ের ম্যাচে দুটি উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের উইকেট শিকারের তালিকায় নিজেকে ‘টপ থ্রি’-তে তুলে আনলেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসার।
দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে ম্যাচের শুরুতেই নতুন বল হাতে ব্রেক থ্রু এনে দেন মুস্তাফিজ। ইনিংসের প্রথম দিকেই তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। পরে ষোলো তম ওভারে এসে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন তিনি। ফলে এই ম্যাচ শেষে টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে তার উইকেট দাঁড়াল ১১টিতে। ২০ ওভারের ম্যাচে মুস্তাফিজ করতে পেরেছেন কেবল দুটি ওভার। পাওয়ার প্লেতে এক ওভার করার পর ষোলো তম ওভারের আগে আর বল পায়নি মুস্তাফিজ। নিজের কোটা পূরণের আগেই অলআউট হয়ে যায় শারজা।
চলতি আসরে মুস্তাফিজের সমান ১১ উইকেট নিয়েছেন খুজাইমা তানভিরও। তবে উইকেট তালিকার শীর্ষে রয়েছেন দুবাই ক্যাপিটালসের আরেক বোলার ওয়াকার সালমানখিল। আফগান এই রিস্ট স্পিনার আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। দুবাইয়ের হয়ে এখনো পর্যন্ত তার স্পিন ঘূর্ণিতে শিকার করেছেন ১৫ উইকেট। তবে, উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো সালমানখিল ও খুজাইমা দুজনেই মোস্তাফিজের চেয়ে একটি করে ম্যাচ বেশি খেলেছেন।
এদিকে, ৬ ডিসেম্বর গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আইএল টি–টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় মুস্তাফিজের। প্রথম ম্যাচেই ২৬ রান খরচায় নেন ২ উইকেট। পরের ম্যাচে ২২ রানে আবারও পান ২টি উইকেট। তৃতীয় ও চতুর্থ ম্যাচে নেন একটি করে উইকেট। এমআই এমিরেটসের বিপক্ষে পঞ্চম ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়ে দেন নিজের সেরা পারফরম্যান্স। শারজাহর বিপক্ষে ম্যাচে আবারও শুরু দিকের সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন তিনি।
এদিনের ম্যাচে মুস্তাফিজের প্রতিপক্ষে ছিলেন জাতীয় দলের তারই সতীর্থ পেসার তাসকিন আহমেদ। শারজাহ ওয়ারিয়র্সের হয়ে ৩.৩ ওভার বোলিং করে ৪০ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট। শারজার হয়ে এদিন তিনিই সর্বোচ্চ উইকেট নেন। তাসকিনের এই সাফল্য সত্ত্বেও দুবাই ক্যাপিটালস ৬ উইকেটে ১৮০ রান তোলে এবং শেষ পর্যন্ত ৬৩ রানের বড় জয় তুলে নেয়।
প্রসঙ্গত, এই জয়ে মুস্তাফিজের দুবাই ক্যাপিটালস উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের দুই নাম্বারে। অন্যদিকে তাসকিনের শারজা নেমে গেছে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে।
ক্রিফোস্পোর্টস/২০ডিসেম্বর২৫/টিএ



























