
নিরাপত্তা সংকটে দীর্ঘদিন পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছিল নির্বাসিত। দীর্ঘ ২৯ বছর পর দেশটিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে আইসিসির কোন বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট। গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে স্বাগতিকদের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির এবারের আসরের। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর দিনেই দেশটিতে ঘটেছে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনা।
পাকিস্তানে এদিন ঘটেছে বন্দুকধারীর হামলার ঘটনা। যেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। যদিও হামলার এই ঘটনাটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ আয়োজন হওয়া কোন শহরে নয়। দেশটির সীমান্তবর্তী বাজাউর জেলায় ঘটেছে। এতে নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বাড়বে দেশটিতে অবস্থান করা সকল ক্রিকেট দলের; পড়বে নেতিবাচক প্রভাব।
পাকিস্তানে এখনও রয়েছে পোলিও রোগের প্রাদুর্ভাব। তাই বছরের নির্দিষ্ট কিছু সময়ে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে দলীয়ভাবে দেয়া হয় পোলিও টিকা। আর প্রায় এই টিকাদানকারী সদস্যরা জঙ্গিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। তাই তাদের নিরাপত্তায় থাকে পুলিশ সদস্যরা। গতকাল বাজাউরের টিকাদান কেন্দ্রে দুই মোটরসাইকেল আরোহী বন্দুক হামলা চালালে ঘটনাস্থলে নিহত হন সেই পুলিশ সদস্য।
আরও পড়ুন:
» এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে ম্যানসিটিকে বিদায় করল রিয়াল
» চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের ম্যাচসহ আজকের খেলা (২০ ফেব্রুয়ারি ২৫)
যদিও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির খেলা আয়োজন হতে যাওয়া শহরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছে দেশটির প্রশাসন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা যায় তিনটি শহরে ২০ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েন থাকবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। বিভিন্ন ভবনের ছাদে সতর্ক অবস্থায় থাকবেন স্নাইপাররা। খেলোয়াড়দের আবাসস্থল এবং যাতায়াত সর্বত্র নজরদারি থাকবে সার্বক্ষণিক। করাচি প্রদেশে জরুরি প্রয়োজনে মোতায়েন আছে পুলিশের অতিরিক্ত সোয়াট ইউনিট।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে পাকিস্তানের লাহোরে ঘটেছিল শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দলের উপর সন্ত্রাসী হামলা। যে কারণে দেশটিতে দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছিল বন্ধ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আইসিসির ইভেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করার সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান। অবশ্য নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে দৃষ্টিতে খেলতে যায়নি ভারত। তাদের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
ক্রিফোস্পোর্টস/২০ফেব্রুয়ারি২৫/এফএএস






















