বিশ্বকাপ এলেই আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন কিংবা আর্লিং হলান্ডের মতো তারকারা। তবে এবারের আসরে তাঁদের পাশাপাশি এমন কয়েকজন ফুটবলার নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছেন, যাদের নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তেমন কোনো আলোচনা ছিল না। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তাঁরাই এখন ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার বড় অংশ।
এই তালিকার শুরুতেই আছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলেই শেষ বত্রিশে জায়গা করে নেয় তাঁর দেশ। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক একের পর এক অসাধারণ সেভ করে স্পেন, উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী দলকে ভুগিয়েছেন। বিশ্বকাপে তাঁর পারফরম্যান্সের পর জনপ্রিয়তাও অনেক বেড়ে গেছে।
মরক্কোর ইসমায়েল সাইবারি ও আইয়ুব বুয়াদ্দিও এবারের বিশ্বকাপের বড় আবিষ্কার। সাইবারি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে দলের আক্রমণের প্রধান ভরসা হয়ে ওঠেন। অন্যদিকে মাত্র ১৮ বছর বয়সী বুয়াদ্দি মাঝমাঠে পরিণত ফুটবল খেলেই নজর কেড়েছেন। বল নিয়ন্ত্রণ, পাস এবং খেলার গতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতায় তিনি বিশেষ প্রশংসা পেয়েছেন।
মেক্সিকোর হুলিয়ান কিনোনিয়েসও সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন। জাতীয় দলে তাঁর জায়গা পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বিশ্বকাপে চার গোল করে সব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে গোল করে দলের সাফল্যেও বড় ভূমিকা রেখেছেন।
সুইজারল্যান্ডের ইয়োহান মানজাম্বিও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। বদলি নেমে জোড়া গোল করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলকে জয় এনে দিয়েছেন তিনি। যদিও চোটের কারণে তাঁর বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যায়, তবু ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় ফুটবলার হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন।
এই তালিকায় রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফোলারিন বালোগানও। মাঠের বাইরে একটি বিতর্কে জড়ালেও তার আগেই নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সবার নজর কেড়েছিলেন তিনি। তিনটি গোল ও একটি গোলে সহায়তা করে এবারের বিশ্বকাপকে নিজের জন্য স্মরণীয় করে রেখেছেন। তাঁর মতো আরও কয়েকজন নতুন মুখই প্রমাণ করেছেন, বিশ্বকাপ শুধু প্রতিষ্ঠিত তারকাদের নয়, নতুন নায়ক তৈরিরও সবচেয়ে বড় মঞ্চ।
ক্রিফোস্পোর্টস/২১জুলাই২৬/টিএ



