দাপুটে পারফরম্যান্সে স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে উঠেছে বার্সেলোনা। প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটেই চার গোল করে ম্যাচের ফলাফল নিজেদের পক্ষেই নিয়ে যায় কাতালানরা। বিরতির পর আরও একবার গোলের দেখা পেয়ে আথলেতিক বিলবাওকে উড়িয়ে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে হান্সি ফ্লিকের দল।
সৌদি আরবের জেদ্দায় বুধবার রাতে সেমিফাইনালে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বার্সেলোনা। লামিনে ইয়ামাল ও রবার্ট লেভানদোভস্কিকে বেঞ্চে রেখে একাদশ সাজালেও ম্যাচে কোনো অভাব দেখা যায়নি।
প্রথম গোলের দেখা পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি বার্সেলোনা ভক্তদের। ম্যাচের ২১তম মিনিটে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে পাস দেন রুনি বার্দগি। প্রথমে শট নিতে না পারলেও বল নিয়ন্ত্রণে রেখে বক্সের বাইরে থেকেই শটে গোল করেন ফেররান তরেস। এরপর একের পর এক আক্রমণে বিলবাওকে চাপে ফেলে কাতালানরা।
৩০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফের্মিন লোপেস। রাফিনিয়ার বাড়ানো বলে বক্সের ভেতর সরাসরি শটে গোল করেন তিনি। চার মিনিট পর আবারও গোল। এবার ফের্মিনের পাস ধরে বক্সে ঢুকে নিচু শটে গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন বার্দগি।
এরপর মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে চতুর্থ গোল। বাঁ দিক দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যায় রাফিনিয়া। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জোরাল শটে গোল করে তিনি। ফলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের ফলাফল কি হবে তা অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, স্প্যানিশ সুপার কাপের সেমিফাইনালে প্রথমার্ধে চার গোল করা প্রথম দলও হয়ে যায় বার্সেলোনা।
বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে বার্সেলোনা। ৫২তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রাফিনিয়া। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার জোরালো শট ঠেকাতে পারেনি বিলবাও গোলরক্ষক উনাই সিমন।
তবে হ্যাটট্রিকের সুযোগ থাকলেও ৬৫তম মিনিটে রাফিনিয়াকে তুলে নেন কোচ। এরপর ইয়ামালসহ কয়েকজন বদলি নামান বার্সেলোনা। শেষ দিকে দুই দলই গোল করার কিছু সুযোগ পেলেও স্কোরলাইনে তেমন পরিবর্তন আসেনি।
খাতা কলমেও বার্সেলোনার দাপট দেখা গেছে। প্রায় ৮০ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে ১৩টি শট নেয় তারা, যার মধ্যে ৭টিই ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে বিলবাওয়ের ৯টি শটের মাত্র ৩টি লক্ষ্যে ছিল।
প্রসঙ্গত, এই জয়ে ফাইনালে উঠল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। একই মাঠে বৃহস্পতিবার অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ ও আতলেতিকো মাদ্রিদ। রোববার অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ।
ক্রিফোস্পোর্টস/৮জানুয়ারি২৬/টিএ
