২০২৬ বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর নতুন করে দল গঠনের পরিকল্পনা শুরু করেছে ব্রাজিল। ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বেশ কয়েকজন তরুণ ফুটবলারের ওপর বিশেষ নজর রাখছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। বিভিন্ন ক্লাবে নিজেদের সামর্থ্য দেখানো এই ফুটবলারদের অনেকেই আগামী বিশ্বকাপে ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠতে পারেন।
এস্তেভাও

ব্রাজিলের জার্সিতে এস্তেভাও
মাত্র ১৯ বছর বয়সেই জাতীয় দলে নিজের সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছেন এই আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। গতি, বল নিয়ন্ত্রণ এবং গোল করার দক্ষতার কারণে তাঁকে ভবিষ্যতের বড় তারকা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভিতর রেইস

ব্রাজিলের জার্সিতে ভিতর রেইস
রক্ষণভাগের এই তরুণ ইতোমধ্যে ইউরোপের প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে নিজেকে প্রমাণ করার পথে। আত্মবিশ্বাসী খেলা এবং শক্তিশালী রক্ষণ তাঁকে ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় জায়গা করে দিয়েছে।
কাইকি ব্রুনো

কাইকি ব্রুনো
বাঁ দিকের রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি আক্রমণেও অবদান রাখতে পারেন। বয়স কম হলেও জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন এবং ইউরোপে খেলে অভিজ্ঞতা বাড়াচ্ছেন।
ওয়েসলি

ব্রাজিলের জার্সিতে ওয়েসলি
ডান দিকের রক্ষণে নিয়মিত সুযোগ পেলে দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেন। আক্রমণে উঠে যাওয়ার ক্ষমতাও তাঁর বড় শক্তি।
আন্দ্রে সান্তোস

ব্রাজিল ডিফেন্ডার আন্দ্রে সান্তোস
মাঝমাঠে রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে পারেন। বল দখল, পাস এবং খেলা গড়ে তোলার দক্ষতায় তিনি ব্রাজিলের অন্যতম সম্ভাবনাময় ফুটবলার।
জোয়াও পেদ্রো

ব্রাজিল ফরোয়ার্ড জোয়াও পেদ্রো
গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের সুযোগ তৈরি করে দিতেও সমান পারদর্শী। ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাঁকে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ বিকল্পে পরিণত করেছে।
জোয়াও গোমেস

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জোয়াও গোমেস
পরিশ্রমী এই মাঝমাঠের খেলোয়াড় রক্ষণ ও আক্রমণ দুই দায়িত্বই ভালোভাবে পালন করতে পারেন। জাতীয় দলের মাঝমাঠে দীর্ঘ সময় অবদান রাখার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর।
কাইও জর্জ

অনূর্ধ্ব–১৭ বিশ্বকাপে কাইও জর্জ
একাধিক আক্রমণভাগের অবস্থানে খেলতে পারেন। ক্লাবের হয়ে নিয়মিত গোল করে নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন তিনি।
ভিতর রকি

ভিতর রকি
ইউরোপে কঠিন সময় পার করলেও দেশে ফিরে আবারও গোলের ধারায় ফিরেছেন। বয়স কম হওয়ায় জাতীয় দলে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ এখনো রয়েছে তাঁর সামনে।
ইগর জেসুস

ব্রাজিলের জার্সিতে ইগর জেসুস
শারীরিকভাবে শক্তিশালী এই ফরোয়ার্ড গোল করার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ তৈরি করতেও দক্ষ। ক্লাবে ভালো খেললে জাতীয় দলে তাঁর সুযোগ আরও বাড়বে।
এই ১০ তরুণকে ঘিরেই আগামী কয়েক বছরে নতুন ব্রাজিল দল গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে। তাঁদের ধারাবাহিক উন্নতির ওপর অনেকটাই নির্ভর করবে ২০৩০ বিশ্বকাপে ব্রাজিল কতটা শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামতে পারবে।
ক্রিফোস্পোর্টস/৬আগস্ট২৬/টিএ



